advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাকা-১৮ উপনির্বাচন
বিএনপির প্রার্থীকে কালোপতাকা প্রদর্শন ক্ষুব্ধদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২০ ২২:১৩
advertisement

ভোটার কিনা চেনা না গেলেও ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্র্বাচনকে কেন্দ্র করে ‘বিশাল জমায়েত’ ঘটিয়েছিলেন বিএনপির প্রার্থী এসএম জাহাঙ্গীর। তার পাশে ছিলেন ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমানও। গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে উত্তরার ৭নং সেক্টরের ১নং সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে কয়েক মিনিট বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীর। এরপর বিশাল মিছিল নিয়ে রবীন্দ্র সরণি দিয়ে এগোতেই জাহাঙ্গীরকে কালো পতাকা দেখান দলের নেতাকর্মীদের একটি ক্ষুদ্র অংশ। এ সময় তারা স্লোগানও দেন। জাহাঙ্গীরের মিছিল চলে যাওয়ার পর আকস্মিক

পেছন থেকে কালো পতাকা হাতে একদল নেতাকর্মী ‘ধর ধর’ বলে হৈ হুল্লোড়ও করেন। এতে সেখানে উত্তেজনা দেখা দিলেও জাহাঙ্গীরের প্রচারে বিঘœ ঘটাতে পারেনি। তবে প্রতীক পেয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারে নেমে এভাবেই নিজ দলের নেতাকর্মীদের কাছে কালো পতাকা দেখলেন ধানের শীষের এই প্রার্থী। গতকাল রাতে এসএম জাহাঙ্গীর আমাদের সময়কে বলেন, কালো পতাকা হাতে কোনো মানুষই তো দেখলাম না। আমি শুধু দেখতে পেয়েছি ধানের শীষের গণজোয়ার।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, ঢাকা-১৮ আসনের নির্র্বাচনকে কেন্দ্র করে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের দিন গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কফিলউদ্দিন ও উত্তরের যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীরের সমর্থকদের মধ্যে মারামারিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। ওই ঘটনায় কাউকে শাস্তি না দিয়ে জাহাঙ্গীরকে দলীয় প্রার্র্থী হিসেবে ঘোষণা করে বিএনপি। এর প্রতিবাদে গুলশানে আহত নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় ডিম নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় ১৭ নেতাকে বহিষ্কার করে বিএনপি। গুলশানে আহত ও দল থেকে বহিষ্কৃত নেতারা ঘোষণা দেন, যেখানে জাহাঙ্গীর সেখানেই তারা কালো পতাকা দেখাবেন।

কালো পতাকা কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়া বহিষ্কৃত নেতা মতিউর রহমান মতির দাবি, জাহাঙ্গীরের বহিষ্কার দাবি করে আমরা প্রার্থীর মিছিলের শেষভাগে কালো পতাকা প্রদর্শন করে এগিয়ে যাওয়ার একপর্যায়ে দুপক্ষের মাঝে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। অবশ্য বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের দাবি, বিক্ষুব্ধরা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ইন্ধনে বিচ্ছৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

গণসংযোগে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন, শামা ওবায়েদ, মীর সরাফত আলী সপু, রাজিব আহসান, আকরামুল হাসান, ইশরাক হোসেন, আব্দুল আলীম নকীব, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা মোর্ত্তাজুল করিম বাদরু, মামুন হাসান, ছাত্রদলের ইকবাল হোসেন শ্যামল, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, জাসাসের জাকির হোসেন রোকন প্রমুখ।

প্রার্থীর পাশে থাকবে জেডআরএফ : জাহাঙ্গীরের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)। নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগ পর্যন্ত করোনাসহ জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দিতে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পও স্থাপন করবে সংগঠনটি। দলীয় নেতাকর্মীদের মামলাসংক্রান্ত সহায়তার জন্য লিগ্যাল এইড কমিটিও করেছে জেডআরএফ। এ লক্ষ্যে গতকাল বিকালে উত্তরায় একটি রেস্তোরাঁয় জেডআরএফের উপকমিটির প্রস্তুতি সভা হয়। পরে নেতৃবৃন্দ বিএনপির প্রার্থী এসএমএ জাহাঙ্গীরের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন- জেডআরএফের উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, সদস্য সচিব ডা. একেএম মাসুদ আকতার জিতু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

advertisement
Evaly
advertisement