advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘ইচ্ছাপত্রে’ যা লিখেছেন কবীর সুমন

বিনোদন প্রতিবেদক
২৪ অক্টোবর ২০২০ ১৫:৪৭ | আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২০ ১৬:১৭
কবীর সুমন ও তার ইচ্ছাপত্র
advertisement

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় শিল্পী কবীর সুমন নিজের ইচ্ছাপত্র (উইল) প্রকাশ করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। নিজের প্যাডে হাতে লেখা ইচ্ছাপত্রে তিনি বলেছেন, মৃত্যুর পর তার সমস্ত সৃষ্টি যেন ট্রাকে করে নিয়ে গিয়ে ধ্বংস করে ফেলে কলকাতা পুরসভা। আর তার মৃতদেহ যেন দান করা হয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের কাজে।

‘সকলের অবগতির জন্য’ শিরোনামে নিজের হাতে লেখা ইচ্ছাপত্রে সুমন আরও লিখেছেন, সজ্ঞানে, সচেতন অবস্থায়, স্বাধীন ভাবনাচিন্তা ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আমি জানাচ্ছি, আমার কোনও অসুখ করলে, আমায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হলে অথবা আমি মারা গেলে, আমার সম্পর্কিত সব কিছুর, প্রতিটি বিষয় ও ক্ষেত্রে দায়িত্বগ্রহণ এবং সিদ্ধান্তগ্রহণের অধিকার থাকবে একমাত্র মৃন্ময়ী তোকদারের (মায়ের নাম প্রয়াত প্রতিমা তোকদার, বাবার নাম দেবব্রত তোকদার)। অন্য কারও কোনো অধিকার থাকবে না এই সব বিষয় ও ক্ষেত্রে’।

ইচ্ছাপত্রে সুমন আরও লিখেছেন, ‘আমার মৃতদেহ যেন দান করা হয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের কাজে। কোনো স্মরণসভা, শোকসভা, প্রার্থনাসভা যেন না হয়। আমার সমস্ত পাণ্ডুলিপি, গান, রচনা, স্বরলিপি, রেকর্ডিং, হার্ড ডিস্ক, পেনড্রাইভ, লেখার খাতা, প্রিন্ট আউট যেন কলকাতা পুরসভার গাড়ি ডেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেগুলি ধ্বংস করার জন্য। আমার কোনও কিছু যেন আমার মৃত্যুর পর পড়ে না থাকে। আমার ব্যবহার করা সব যন্ত্র, বাজনা, সরঞ্জাম যেন ধ্বংস করা হয়। এর অন্যথা হবে আমার অপমান’।

নব্বই দশকের শুরুতে ‘তোমাকে চাই’ অ্যালবাম দিয়ে বাংলা আধুনিক গানের জগতে আবির্ভাব হয়েছিল সুমনের। এরপরই ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। মোড় ঘোরানো আধুনিক বাংলা গানের জনক হিসেবে তাকেই গ্রহণ করেছিল বাঙালি। কালক্রমে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। জড়িয়ে পড়েন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সঙ্গে। পরে তৃণমূলের টিকিটে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে সাংসদও হন।

advertisement
Evaly
advertisement