advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বললেন
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ব্রিটেন সহায়তা করবে

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
২৬ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২০ ২২:২৬
advertisement

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য রোহিঙ্গা একটি বড় সমস্যা। এ সমস্যা সমাধান করতে হবে। সমস্যা সমাধানে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভালো। এ দেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বসবাস করছে। চমৎকার পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব পালনই তার বড় প্রমাণ।

তিনি গতকাল রবিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজাম-পসহ কয়েকটি পূজাম-প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

সকাল পৌনে ১০টায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন এবং ডেপুটি হাইকমিশনার জাবেদ প্যাটেল কুমুদিনী কমপ্লেক্সে এসে পৌছালে সেখানে তাকে স্বাগত জানান কুমুদিনী হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আলী এহসান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) অনিমেষ ভৌমিক, মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর রহমান প্রমুখ।

এরপর কুমুদিনী হাসপাতালের লাইব্রেরিতে চা-চক্র শেষে হাইকমিশনার কুমুদিনী হাসপাতাল, নার্সিং স্কুল ও কলেজ পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজের

অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আব্দুল হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়। এরপর ব্রিটিশ হাইকমিশনার লৌহজং নদীর তীরঘেঁষা রণদা প্রসাদ সাহার নিজ বাড়ির পূজাম-প পরিদর্শনে যান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহা, পরিচালক (শিক্ষা) প্রতিভা মুৎসুদ্দি, পরিচালক স্বম্পা সাহা।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের শারদীয় দুর্গোৎসব সুন্দর ও আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ একটি চমৎকার দেশ। এ দেশের মানুষ সম্প্রীতিতে বসবাস করছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ।

রোহিঙ্গা সমস্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা। নিজেদেরই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। এ সমস্যা সমাধানে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

বেলা ৩টার দিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা-চক্র শেষে ঢাকার উদ্ধেশে যাত্রা করেন।

advertisement
Evaly
advertisement