advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যু
প্রথম আলো সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের তারিখ পেছাল

আদালত প্রতিবেদক
২৭ অক্টোবর ২০২০ ১৭:০১ | আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২০ ১৭:১২
নিহত নাইমুল আবরার রাহাত ও প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। পুরোনো ছবি
advertisement

নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর মামলায় দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন সংক্রান্ত আদেশ দেওয়ার তারিখ পিছিয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ আদেশ প্রস্তুত না হওয়ায় আগামী ১২ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর চার্জগঠনের শুনানির পর আদেশের জন্য ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়। এ মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ অপর আসামিরা হলেন-প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক সাহিত্যিক আনিসুল হক, কবির বকুল, শুভাসিস প্রমানিক, মহিদুল আলম পাভেল, শাহপরান তুষার।

এ ছাড়া, কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে ডেকোরেশন ও জেনারেটর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের জসিম উদ্দিন অপু, মোশারফ হোসেন, সুজন ও কামরুল হাওলাদার। আসামিদের মধ্যে প্রথম ছয়জন জামিনের অপর চারজন পলাতক রয়েছেন।

এর আগে গত বছর ৬ নভেম্বর নিহত নাইমুল আবরারের বাবা মো. মজিবুর রহমান ঢাকা সিএমএম আদালতে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন নাইমুল আবরার (১৫)। গত পহেলা নভেম্বর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে প্রথম আলোর ম্যাগাজিন কিশোর আলোর বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে যান। অনুষ্ঠান চলাকালে বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে তিনি বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘অনুষ্ঠানে বিদ্যুতের লাইন অরক্ষিত ছিল। এ ছাড়া ঘটনাস্থলের কাছে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থাকলেও আবরারকে দূরবর্তী মহাখালী ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়।’

আরও বলা হয়, ‘মৃত্যু সনদে দেখা যায়, আবরারকে ঘটনার দিন ৪টা ১৫ মিনিটে ভর্তি করা হয় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ৪টা ৫১ মিনিটে মৃত ঘোষণা করেন। যেখানে আবরার সাড়ে ৩টায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়।’

এ ছাড়া অভিযোগ করা হয়, ‘আবরারের মৃত্যুর পরও মৃত্যুর সংবাদ গোপন রেখে সন্ধ্যে ৭টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া হয়। আবরারের পরিবার তার মৃত্যুর খবর জানেন এক সহপাঠীর মাধ্যমে।’ ওই ঘটনার পরে অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীরা গত ২ নভেম্বর ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে।

এ ঘটনায় করা অপমৃত্যুর মামলা এবং আদালতে দাখিল করা অবহেলাজনিত মৃত্যুর মামলা তদন্ত করতে মোহাম্মদপু থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন আদালত। ১০ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল আলীম মামলাটি তদন্ত করে ১০ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এ প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে আসামিরা বিভিন্ন সময়ে জামিন নেন।

advertisement
Evaly
advertisement