advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

‘সাকিব না থাকায় দলের কোনো ক্ষতি হয়নি’

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৮ অক্টোবর ২০২০ ১৮:৪০ | আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২০ ১৯:৩৪
পুরোনো ছবি
advertisement

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের শাস্তির মেয়াদ শেষ হবে আজ রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই। এই এক বছর সাকিব কোনো ধরনের ক্রিকেট অংশগ্রহণ করতে পারেননি। করোনা মহামারির কারণে জাতীয় দলের অধিকাংশ সফর বাতিল হওয়াতে সাকিব না থাকায় কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানান সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফীস।

আজ বুধবার বিকেলে দৈনিক আমাদের সময়ের সঙ্গে সাকিবের প্রত্যাবর্তন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন শাহরিয়ার। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘সাকিব গত একবছর বাংলাদেশের ক্রিকেটে ছিল না, বাংলাদেশ খুব বেশি ম্যাচও খেলেনি। সাকিব না থাকায় বাংলাদেশ দলের কোনো ক্ষতি হয়নি।’

সাকিব আগের মতোই বাংলাদেশ দলকে সার্ভিস দেবে বলেও মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক এই ক্রিকেটার। ‘সাকিব পুরো ক্যারিয়ারে বাংলাদেশ দলকে যেভাবে সার্ভিস দিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে এসে ওভাবেই সার্ভিস দিবে। বাংলাদেশের তরূণ ক্রিকেটারদের প্রতি একটা অনুরোধ থাকবে তারা যেন সাকিবের ক্যারিয়ার থেকে শিক্ষা নেয়। যত বড় খেলোয়াড়ই হোক না কেনো কোনো ভুল করলেই এর বড় খেসারত দিতে হবে’, বলছিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার ব্যাটসম্যান।  

শাহরিয়ার নাফীস। পুরোনো ছবি। 

সাকিবের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়া নিয়ে কথা বলেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরীও। তিনিও আশা করেন আগের মতোই ফিরবেন সাকিন। নিজামউদ্দিন বলেন, ‘যেহেতু উনি আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড় অবশ্যই তার প্রত্যাবর্তন আমাদের জন্য কমফোর্ট ও আনন্দের বিষয়ও। আমরা আশা করব উনি যেভাবে আমাদের জাতীয় দলে ও অন্যান্য টুর্নামেন্টে অবদান রেখেছেন সেভাবেই ফিরে আসবেন।’

প্রসঙ্গত, জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় গত বছর অক্টোবর মাসেই সব ধরনের ক্রিকেটে সাকিবকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় আইসিসি। এর মধ্যে রয়েছে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালার আইন লঙ্ঘনের অপরাধে সাকিবকে এ শাস্তি দেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এ শাস্তি মেনেও নেন বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল এই ক্রিকেটার। এক দিন পর ক্রিকেটে ফিরলেও ভবিষ্যতে যদি একই ধরনের অপরাধ করেন তা হলে সাকিবের এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

এক বছরের নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হয়ে শ্রীলংকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে ক্রিকেটে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তার। এজন্য করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসে বিকেএসপির মাঠে নিবিড় অনুশীলনও করেন বাংলাদেশের বিশ্ব তারকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শ্রীলংকা সফর আপাতত স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আবারও যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের কাছে চলে যান সাকিব।

অবশ্য সেখানে নিজেকে তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েই খেলায় ফিরবেন সাকিব। আগামী মাসেই ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট দিয়ে আবারও ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন হবে তার। পাঁচ দলের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজন করবে বিসিবি। আগামী নভেম্বরের ১৫ তারিখ টুর্নামেন্ট শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করেছে বোর্ড। এই টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে সাকিব ক্রিকেটে ফিরবেন বলে জানিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

advertisement
Evaly
advertisement