advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ : আদালতে তোলা হচ্ছে এএসআই রাহেনুলকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ অক্টোবর ২০২০ ১২:৫৪ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২০ ১২:৫৪
অভিযুক্ত এএসআই রাহেনুল ইসলাম ওরফে রাজু
advertisement

রংপুরে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় রাহেনুল ইসলাম ওরফে রাজু নামে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে গ্রেপ্তার করছে পিবিআই। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হবে।

রংপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স থেকে রাহেনুল ইসলাম ওরফে রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই মামলায় এখন পর্যন্ত দুই নারীসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ মামলায় ভিকটিমের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকায় রাহেনুলকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলেও জানান জাকির হোসেন।

গতকাল ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এতে মামলার দুই নম্বর আসামি এএসআই রাহেনুল ইসলাম ওরফে রাজুর সম্পৃক্ততার কথা বেরিয়ে আসে।

এদিকে, আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে অন্য দুই আসামি বাবুল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ। এর আগে সুমাইয়া পারভীন মেঘলা ও সম্পা বেগম নামের দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠান।

পুলিশ জানায়, রংপুর মহানগরীর হারাগাছ থানার ময়নাকুঠি কচুটারি এলাকার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের এএসআই রাহেনুল ইসলাম। পরিচয়ের সময় সে তার ডাক নাম রাজু বলে জানায় ওই ছাত্রীকে। সম্পর্কেরে সূত্র ধরে রোববার সকালে ওই ছাত্রীকে হারাগাছ ক্যাদারের পুল এলাকার শহিদুল্লাহ মিয়ার ভাড়াটিয়া আলেয়া বেগমের বাড়িতে ডেকে নেন রাহেনুল। সেখানে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর তার আরও কয়েকজন পরিচিত যুবককে দিয়ে ধর্ষণ করান তিনি।

এ সময় ওই ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে স্কুলছাত্রী বিষয়টি হারাগাছ থানায় জানায়। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে পুলিশ ওই ছাত্রীকে থানায় নিয়ে যায় এবং তার বাসায়ও খবর দেয়। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা আয়নাল বাদী হয়ে রাহেনুল ইসলাম ওরফে রাজুসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

advertisement
Evaly
advertisement