advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক,বগুড়া
২৯ অক্টোবর ২০২০ ২০:০৯ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২০ ২১:৩০
প্রতীকী ছবি
advertisement

বগুড়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে আবদুল কুদ্দুস (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-২-এর বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত কুদ্দুস জেলার কাহালু উপজেলার লক্ষ্মীমণ্ডপ গ্রামের মৃত ওসমান আলীর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে হাজির ছিলেন। তবে এই আসামির প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আশেকুর রহমান সুজন জানান, দণ্ডিত আবদুল কুদ্দুস প্রথমে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ভোগা গ্রামের জাহানারা বেগম নামের এক নারীকে বিয়ে করে সেখানেই ঘর জামাই হিসেবে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীকালে ওই একই গ্রামের মদিনা বেগম নামের এক নারীর সঙ্গে তার পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে কুদ্দুস ২০১২ সালে মদিনা বেগমকে নিয়ে পালিয়ে যান এবং বিয়ে করেন।

এরপর দুই স্ত্রীকে নিয়ে আবদুল কুদ্দুস বগুড়ার কাহালু উপজেলার লক্ষ্মীমণ্ডপ গ্রামের বসবাস শুরু করেন। তবে কিছুদিন যাওয়ার পর কুদ্দুস এক লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রী মদিনা বেগমকে নির্যাতন শুরু করেন। বিষয়টি মদিনা বেগম তার মা রোকেয়া বেগমকে জানান। তবে দাবি অনুযায়ী যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় কুদ্দুস মদিনা বেগমের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেন। এভাবে চলতে থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালের ২০ জুলাই কুদ্দুস তার দ্বিতীয় স্ত্রী মদিনা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন।

পরে ওই ঘটনায় নিহত মদিনা বেগমের মা রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে কাহালু থানায় কুদ্দুসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তবে তদন্ত শেষে পুলিশ কুদ্দুস ও তার প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগমকে অভিযুক্ত করে ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। তবে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কুদ্দুসের প্রথম স্ত্রী জাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাসের আদেশ দেন।

advertisement
Evaly
advertisement