advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

হাজার কোটি টাকা খরচে নদী খনন হলেও কাজ দৃশ্যমান নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ অক্টোবর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২০ ২২:২১
advertisement

ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর বালু কেটে ফের নদীতেই ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে সংসদীয় কমিটি। হাজার কোটি টাকা খরচ করে নদী খনন হলেও সেই সব কাজ দৃশ্যমান নয় বলে কমিটি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এটিকে ‘শুভংকরের ফাঁকি’ উল্লেখ করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কাছে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন চেয়েছে কমিটি। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, ড্রেজিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নেই বলে কমিটি মনে করে। বালু তুলে নদীতে ফেলা হয়। তারা বলেছে ড্রেজিং করেছে। এ ব্যাপারে জবাবদিহি করতে বলেছে কমিটি। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ কী করছে, সে বিষয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন চেয়েছে সংসদীয় কমিটি।

আ স ম ফিরোজ বলেন, ড্রেজিংয়ের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। কিন্তু কার্যত ড্রেজিং দৃশ্যমান নয়। আরিচা ও

মাওয়া ফেরি বন্ধ, অথচ বলা হচ্ছে ড্রেজিং চলছে। নদী খননের পর সরকারি জমি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি লিজ নিয়ে বালু রাখা হোক, তা হলে কত পরিমাণ বালু তোলা হয়েছে তা জানা যাবে। ড্রেজার কেনাতে স্বচ্ছতা নেই বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

বৈঠকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণে নৌপথকে সচল রাখতে ড্রেজিং করা পলিমাটি ও বালু পুনরায় নদীতে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কমিটি সুপারিশ করেছে। বৈঠকে নৌপথে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে নৌটার্মিনালে প্রবেশে টিকিটের অনিয়ম ও চাঁদাবাজি বন্ধের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে নদী খনন, নদীদূষণ ও দখল রোধসহ সকল কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোর প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে। এ ছাড়া নদী দখল ও দূষণ রোধে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচ্ছেদ/দখলমুক্ত করার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে।

কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, মো. মাহবুব-উল আলম হানিফ, মির্জা আজম এবং মুহিবুর রহমান মানিক অংশগ্রহণ করেন।

advertisement
Evaly
advertisement