advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লড়াই করে ভরাডুবি নীনা ও ডোনার, চন্দন-আবুলের জয়

কৌশল ইমা,নিউইয়র্ক
৬ নভেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ নভেম্বর ২০২০ ০৭:৩২
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে এবার মার্কিন রাজনীতিবিদদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন চার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। তাদের মধ্যে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে ডিস্ট্রিক্ট ৫-এ স্টেট সিনেটর পদে জয় পেয়েছেন শেখ রহমান চন্দন। এ ছাড়া নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে চতুর্থ মেয়াদের জন্য বিজয়ী হয়েছেন আবুল বি খান। তবে পেনসিলভানিয়াতে অডিটর জেনারেল পদে লড়াই করেও হেরে গেছেন ডেমোক্র্যাটদলীয় প্রার্থী ড. নীনা আহমেদ। এ ছাড়া টেক্সাসের কংগ্রেশনালে ডিস্ট্রিক্ট ৩১-এ হেরে গেছেন আরেক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ডোনা ইমাম।

জানা গেছে, জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর পদে ডেমোক্র্যাটদলীয় প্রার্থী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন শেখ রহমান চন্দন। তার বিপরীতে কোনো প্রতিদ্বন্দী ছিল না। ফলে এবার তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন। রিপাবলিকানদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত জর্জিয়ায় এবার ভালো করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। তারই অংশ হিসেবে চন্দনের জয়কে দেখছেন স্থানীয় বাংলাদেশিরা। তিনিই ছিলেন জর্জিয়ার প্রথম কোনো মুসলিম আইনপ্রণেতা।

কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুরের শরারচর গ্রামের সন্তান চন্দন। ১৯৮১ সালে প্রথম উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। বাংলাদেশে তার ছোটভাই শেখ মুজিবর রহমান ইকবাল একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হয়েছিলেন কিশোরগঞ্জ থেকে।

অন্যদিকে নিউ হ্যাম্পশায়ার রাজ্যের স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে রিপাবলিকান পার্টির নেতা আবুল বি খানের জয়ও গর্বিত করেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের। এর আগেও পর পর তিনবার আবুল ওই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন। এ ছাড়া তিনি আগেও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে ছিলেন। আবুল বি খানের জন্ম বাংলাদেশের পিরোজপুরের ভা-ারিয়ায়। ১৯৮১ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেন।

তবে ভাগ্য খারাপ ড. নীনা ও ডোনার। পেনসিলভানিয়ার অডিটর জেনারেল পদের জন্য লড়ে ড. নীনা পরাজিত হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী টি ডিফুর কাছে। ড. নীনা এখন পর্যন্ত ভোট পেয়েছেন পাঁচ লাখ ৭০ হাজার। তিনি টি ডিফুর থেকে পিছিয়ে আছেন প্রায় ১ লাখ ৯৫ হাজার ভোটে। যদিও ফিলাডেলফিয়ার পোস্টাল ভোট এখনো যোগ হয়নি।

টেক্সাসে অল্পের জন্য ডোনা ইমামও জয়ের দেখা পাননি। রিপাবলিকান দলের প্রতিদ্বন্দ্বী জন কার্টারের চেয়ে লাখেরও বেশি ভোটে পিছিয়ে আছেন। অথচ রিপাবলিকান এলাকা হিসেবে পরিচিত টেক্সাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন ডোনা।

এবার নির্বাচনে মিশিগান থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাউস অব রিপ্রেজেরটেটিভ পদে নির্বাচন করছেন বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী ড. এমডি রাব্বি আলম। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সার্জেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটির ককাসের সাবেক সভাপতি এবং মিসোরি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এশিয়ান ককাসের প্রতিষ্ঠাতা। তবে নির্বাচনে তার ফল এখনো জানা যায়নি।

এর আগে মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে মিশিগানের একটি আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন হেনসেন ক্লার্ক। যদিও তিনি এক মেয়াদের বেশি টিকতে পারেননি।

advertisement
Evaly
advertisement