advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মধুর প্রতিশোধ নিলো বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৭ নভেম্বর ২০২০ ১৯:১০ | আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০২০ ০৯:১৩
ছবি : নজরুল মাসুদ
advertisement

করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ বিরতির পর দেশের ফুটবলের শুরুটা হয়েছে দুর্দান্ত। নেপালের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ দিয়েই অবসান ঘটেছে অচলায়াতনের। এর আগে পাঁচ বছর নেপালের বিপক্ষে জিততে পারেনি; এই প্রীতি ম্যাচের আগে খেলা দুই ম্যাচেই হিমালয়ের দেশটির বিপক্ষে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিদের। এবার জামাল ভুঁইয়ারা দুটি প্রীতি ম্যাচের মধ্যে একটিও জিততে দেয়নি নেপালিদের।

প্রথমটিতে ২-০ গোলে জয়ের পর দ্বিতীয়টি বাংলাদেশগ ড্র করে। আজ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচ খেলতে নামে বাংলাদেশ। পুরোম্যাচ জুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা পাননি জামাল-সুফিলরা। শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে। প্রথম ম্যাচে জিতে এগিয়ে থাকায় ট্রফি থেকে যায় বাংলাদেশের ঘরেই।

প্রথম ম্যাচের মতোই এই ম্যাচ ঘিরেও ছিল দর্শকদের উত্তাপ। জামাল-সাদরা বল নিয়ে ছুটলেই দর্শকদের গগণবিদারি গর্জনে কেঁপে উঠত বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। কিন্তু দর্শকের এমন সমর্থনেও নেপালের জাল ছুতে পারেনি জামালদের কোনো শট। বাংলাদেশ এগিয়ে যেত পারত ১৬ মিনিটের মাথায়। সাদ উদ্দিনের পাস থেকে প্রথম ম্যাচে গোল দেওয়া জীবনের শট লক্ষভ্রষ্ট হয়ে।

এর ৭ মিনিটের পর আক্ষেপের সুরে কেঁদে উঠেন মাঠ ভর্তি দর্শক। জীবনের দেওয়া পাস থেকে সুমন রেজার দুর্দান্ত শট নেপালের গোলবারের একটু উপর দিয়ে চলে যায়। একটু এদিক-সেদিক হলেই গোলের দেখা পেয়ে যেট লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। ৩১ মিনিটে সাদ-জীবন হয়ে বল সুমনের কাছে আবারও মিস করেন তিনি। বিরতির একটু আগে সাদ ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শট নেন। কিন্তু এটাও কোনো কাজে আসেনি।

বিরতির পর সুমন রেজার পরিবর্তে মাঠে আসেন প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত গোল দেওয়া মাহবুবুর রহমান সুফিল। এর চার মিনিট পরেই বিশ্বনাথের শট নেপালের জালের উপর দিয়ে যায়। তবে ৫৯ মিনিটে ইয়াসিন একটি স হজ গোল মিস করেন। এরপর সুযোগ পান জীবনও। শট নিলেই হতে পারত গোল; কিন্তু তার পাও খুঁজে পায়নি নেপালের জাল।

এভাবেই আক্রমণের পসরা আর মিসের মহড়ায় গোল শূন্য ড্র হয় ম্যাচটি। তবে ম্যাচের অন্তিম সময়ে অল্পের জন্য বেঁচে যায় বাংলাদেশ। শ্রেষ্ঠর হেড গোলরক্ষক রানার হাত ফসকে বের হয়ে গেলেও বাংলাদেশি ডিফেন্ডার দ্রুততার সাথে বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেন।

পুরো ম্যাচে বাংলাদেশের পায়ে বল ছিল ম্যাচের ৪৭ ভাগ সময়। অন টার্গেট শট ছিল একটি আর অফ টার্গেট পাঁচটি। অন্যদিকে নেপাল একটি অন-টার্গেট শটও নিতে পারেনি। তবে ম্যাচের ৫৩ ভাগ সময় তাদের পায়েই বল ছিল। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ দুর্দান্ত খেললেও দ্বিতীয়ার্ধ কিছুটা খাপ ছাড়া দেখা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

advertisement
Evaly
advertisement