advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পিএসএল
টি-টোয়েন্টির ফাইনালে তামিমের ‘টেস্ট’ ব্যাটিং

স্পোর্টস ডেস্ক
১৭ নভেম্বর ২০২০ ২৩:০২ | আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০২০ ২৩:০২
advertisement

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই ধুম-ধাড়াক্কা ব্যাটিং। বলে বলে চার-ছয়ের ফুলঝুরি। আর যদি সেটি হয় ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট তাহলে তো কোনো কথাই নেই। যেমন টাকার ঝনঝনানি তেমন মারকুটে খেলা। কিন্তু পাকিস্তান সুপের লিগের (পিএসএল) ফাইনালে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। যেটির রূপকার বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

পিএসএলে তামিম খেলছেন লাহোর কালান্দার্সের হয়ে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে করাচি কিংসের বিপক্ষে খেলতে নামে তামিমের দল লাহোর কালান্দার্স। টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় কালান্দার্স। ওপেনিং করতে নেমে তামিম শুরুটা করেন টেস্ট মেজাজে। অন্যদিকে তার সঙ্গী ফাখহার জামান বল-রানের মধ্যে ব্যবধান রেখে খেলার চেষ্টা করেন।

একটু পরিসংখ্যানে যাওয়া যাক। ফাইনালে পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভার শেষে লাহোর কালান্দার্সের রান ছিল কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩৭ রান। তার মধ্যে তামিম করেন ২৪ বলে ১৪, আর ফাখহার করেন ১২ বলে ১৭। পরে সপ্তম ও অস্টম ওভার একটি করে চার-ছয় মেরে তামিম বল-রানের মধ্যে ববধান প্রায়া সমান করেন। ৯ ওভার চার বলে আরও একটি চার মারলেও তামিম সাজঘরে ফেরেন ৩৮ বলে ৩৫ রান করেন। অর্থাৎ পুরো ৬ ওভার ১ বল খেলে তামিম এই রানগুলো করেন।

টি-টোয়েন্টির ফাইনালে তামিমের এই টেস্ট ইনিংসে চারের মার ছিল চারটি আর ছয় একটি। অন্যদিকে আরেক ওপেনার ফাখহার জামান আউট হয়েছেন ২৪ বলে ২৭ রান করে। তামিমের এমন দৃষ্টিকটু শুরুর ধাক্কা শেষ পর্যন্ত সামলে উঠতে পারেনি লাহোর কালান্দার্স। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে দলটি মাত্র ১৩৪ রান করে ৭ উইকেট হারিয়ে। তামিমের এই ৩৫ রানই সর্বোচ্চ।

অথচ এই ম্যাচকে ঘিরে তামিমকে নিয়ে ছিল উত্তাপ, পারতেন নিজেকে আরও একবার প্রমাণ করতে। পাকিস্তানি সাবেক ক্রিকেটার আমির সোহেলের একটি মন্তব্যকে ঘিরে এই উত্তাপ ছড়িয়েছিল। তিনি বলেছিলেন তামিম বড় ম্যাচের খেলোয়াড় না। ফাইনালে ওপেনিংয় একাদশেই তামিমকে বিবেচনা করেননি আমির। শেষ পর্যন্ত রান করলেও তামিম ফিরলেন দলের চাপ বাড়িয়ে।

advertisement
Evaly
advertisement