advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

টিকার জরুরি অনুমোদন চায় ফাইজার

আমাদের সময় ডেস্ক
২২ নভেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০২০ ০৮:২১
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) কাছে টিকা ব্যবহারের জরুরি অনুমোদন চেয়ে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে টিকা উৎপাদন প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও বায়োএনটেক। করোনা মহামারীতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই টিকা এখন আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে চীনা ওষুধ কোম্পানি সিনোফার্মের টিকা ইতোমধ্যে ১০ লাখ মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কারও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। খবর বিবিসি ও সিএনএন।

বিভিন্ন দেশে আঘাত হেনেছে করোনা মহামারীর ‘দ্বিতীয় ঢেউ’। প্রথম দফা সংক্রমণের পর দ্বিতীয় দফা সংক্রমণ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্ববাসী। একদিকে জীবিকার টানে বাইরে বের হতে হচ্ছে, অন্যদিকে করোনা সংক্রমণের ভয় -এমন পরিস্থিতি বেশ কয়েকটি টিকা আশার আলো দেখিয়েছে। এগুলোর মধ্যে ফাইজারের টিকা অন্যতম। গত শুক্রবার এক ভিডিওবার্তায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বোরলা জানান, কোভিড-১৯ টিকার জরুরি অনুমোদনের আবেদন এখন এডিএ কর্তৃপক্ষের হাতে। দিনটিকে তিনি ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেন। তার ভাষায়- ‘অত্যন্ত গর্ব এবং আনন্দের সঙ্গে... কিছু স্বস্তির সঙ্গেও আপনাদের জানাচ্ছি, আমাদের কোভিড-১৯ টিকার জরুরি অনুমোদনের আবেদন এখন এফডিএ কর্তৃপক্ষের হাতে।’

এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, শুক্রবার আবেদনপত্র জমা দিলেও কবে নাগাদ টিকার অনুমোদন পাওয়া যাবে তা নিশ্চিত নয়। তবে মার্কিন সরকার আশা করছে, ডিসেম্বরের প্রথম দিকেই এর অনুমোদন মিলবে। যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ কোম্পানি ফাইজার এবং তাদের জার্মান পার্টনার বায়োএনটেক গত বুধবার জানিয়েছে, তাদের তৈরি টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর। ৬৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষের বেলায় তা ৯৪ শতাংশের বেশি কার্যকর।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। গত জুনের পর দেশটিতে গত বৃহস্পতিবার আবার দৈনিক মৃত্যু দুই হাজারের কোটা ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় ফাইজারের টিকা দেশটির জন্য আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে চীনের ওষুধ কোম্পানি সিনোফার্ম জানিয়েছে, তাদের উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের পরীক্ষামূলক টিকা প্রায় ১০ লাখ মানুষের শরীরে দেওয়া হয়েছে। সরকার কর্তৃক অনুমোদিত জরুরি ব্যবহারের অংশ হিসেবে এই টিকা প্রদান করা হয়েছে। সিনোফার্মের চেয়ারম্যান লিউ জিংঝেন বলেন, এখন পর্যন্ত টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে গুরুতর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। সিনোফার্মপ্রধান জানান, পরীক্ষামূলক টিকাটি দেওয়া হয়েছে নির্মাণশ্রমিক, কূটনৈতিক ও শিক্ষার্থীদের। যারা করোনা মহামারীর সময় ১৫০টিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু এদের কেউ-ই আক্রান্ত বলে খবর পাওয়া যায়নি। ৬ নভেম্বর জরুরি টিকা কর্মসূচির আওতায় ৫৬ হাজার মানুষের দেহে এটি প্রয়োগ করা হয়। পরে তারা বিদেশ গেছেন।

 

advertisement
Evaly
advertisement