advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ইমরানের ‘পুতুল’ সরকারের পতন দাবিতে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ নভেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০২০ ২২:৫২
advertisement

পাকিস্তানের পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলওয়াল ভুট্টো ইমরান খান সরকারের পতনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। গতকাল পেশোয়ারে এক জনসভায় তিনি ঘোষণা দেন যে, জানুয়ারি মাসের মধ্যে সরকারকে ঘরে ফিরে যেতে হবে। অন্যদিকে ইমরানের সরকারকে ‘পুতুল’ সরকার আখ্যা দিয়ে প্রবল আন্দোলন গড়ে তুলেছে বেশ কয়েক বিরোধী দলও। ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রদেশে রাজনীতিক ‘শোডাউন’ করেছে তারা। খবর ডন ও বিবিসি।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সহায়তায় কারচুপি করে ক্ষমতায় এসেছেন ইমরান। এদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে লোক সমাগমে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও গতকাল রবিবার পেশোয়ারে হাজার হাজার লোক বিক্ষোভে অংশ নেন। অন্যদিকে ইমরান খান বলছেন, বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির মামলা কার্যক্রম বন্ধ করার জন্যই প্রচার চালানো হচ্ছে। এদিকে রাজনীতির সঙ্গে নিজেদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাধর সেনাবাহিনী। এ ছাড়া ইমরান খানও তার নির্বাচনে জয়ের পেছনে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্তার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

বিবিসি জানিয়েছে, ১৬ অক্টোবর থেকে পাকিস্তান ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্ট (পিডিএম) একের পর এক বিক্ষোভ আয়োজন করেছে। দক্ষিণপন্থি ধর্মীয় দল থেকে শুরু করে কিছুটা বামপন্থি চিন্তাধারার দলÑ এমনকি ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদী দলের সদস্যরাও এই দলের সঙ্গে যুক্ত। দেশটির চারটি রাজ্যের তিনটিতেইÑ পাঞ্জাব, সিন্ধু ও বেলুচিস্তানে বড় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর গতকাল রবিবার খাইবার পাখতুনখাওয়ায় প্রথমবারের মতো র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

বিরোধী দলগুলো বলছে, তারা ‘জনগণের প্রতিনিধিত্ব না করা এমন পুতুল’ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়। সরকারের বিরুদ্ধে বিচারব্যবস্থার ওপর প্রভাব তৈরি করা এবং অর্থনীতির অব্যবস্থাপনার অভিযোগও তুলেছেন তারা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের জামাতা সফদর আওয়ানকে তার হোটেল রুম থেকে ১৯ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে সরকার ও সেনাবাহিনী যথেষ্ঠ বিব্রত হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গ্রেপ্তারের সময় তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে হোটেল কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। তার কিছুক্ষণ পর জানা যায় যে, হোটেলে অভিযান চালানোর আগে সিন্ধুপ্রদেশের পুলিশপ্রধানকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার অফিসে নিয়ে গিয়ে ‘জোরপূর্বক’ আওয়ানের গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়।

২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে ইমরান খান সব সময় দাবি করে আসছিলেন যে, নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির দলের ‘ব্যাপক দুর্নীতিতে’ বিরক্ত হয়েই সাধারণ মানুষ তাকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০১৮ সালের নির্বাচন পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় নির্বাচন ছিল।

advertisement
Evaly
advertisement