advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ত্রিপুরায় বিক্ষোভে গুলিতে নিহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ নভেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০২০ ২২:৫২
advertisement

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ব্রু আদিবাসীদের পুনর্বাসন নিয়ে সংঘাতের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সম্প্রতি প্রায় ৫ হাজার ব্রু পরিবারকে রাজ্যের কাঞ্চনপুরে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু স্থানীয়রা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। পুনর্বাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে গত শনিবার গুলির ঘটনাও ঘটে। এতে একজন নিহত হন এবং ২৩ আহত হন। আহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্যও রয়েছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

ত্রিপুরার পাশ্ববর্তী রাজ্য মিজোরাম থেকে প্রায় দুই দশক আগে হাজার হাজার ব্রু উপজাতি পালিয়ে ত্রিপুরায় আশ্রয় নেয়। বেশ কয়েক বছর থেকে তাদের পুনর্বাসন নিয়ে রাজ্যসরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার চিন্তা করছে। এর ধারাবাহিকতায় চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার, ত্রিপুরার রাজ্য সরকার এবং উপজাতি নেতাদের সমন্বয়ে একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ৪৯০০ ব্রু পরিবার বা প্রায় ৩৪০০০ আদিবাসীকে কাঞ্চনপুরে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু স্থানীয়রা মনে করছেন এত লোকের বাসস্থান তাদের অসুবিধায় ফেলে দেবে। এ জন্য তারা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছে। গত সোমবার থেকে কাঞ্চনপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্্ধ ডেকেছে আন্দোলনকর্মীরা। এর পাশাপাশি হাজার হাজার নারী-পুরুষ রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ করছে। এমনই বিক্ষোভে গত শনিবার গুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, ক্ষুব্ধ জনগণ পুলিশের ওপর চড়াও হয়েছিল এবং পাথর নিক্ষেপ করেছে এ অবস্থায় পুলিশ জীবন বাঁচাতে গুলি চালিয়েছে। অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের নেতা সুশান্ত বিকাশ বড়–য়া সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘কোনো রকম প্ররোচনা ছাড়াই গুলি চালিয়েছে ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস। যদি ওদের কথা মেনেও নিই যে, মিছিল থেকে পাথর ছোড়া হয়েছিল, তা হলে তাদের কাছে কি কাঁদানে গ্যাস বা জলকামান ছিল না? পাথর ছোড়া হলেই সরাসরি গুলি চালিয়ে দিতে হবে?’

পুলিশের গুলিতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় কাঞ্চনপুর আর সংলগ্ন এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বড় সংখ্যায় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

advertisement
Evaly
advertisement