advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ডিসির আশ্বাসের ৫ দিনের মধ্যেই ঘর পেলেন সেই বৃদ্ধা

সাদ্দাম হোসেন,ঠাকুরগাঁও
২৪ নভেম্বর ২০২০ ২১:১৬ | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২০ ২১:১৬
নতুন ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ডিসি ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

একটি ঘরের জন্য কষ্টে দিন পার করছিলেন বিধবা বৃদ্ধা মর্জিনা বেগম (৭০)। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম তাকে একটি পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে মর্জিনা বেগমকে নতুন ঘর দিলেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আয়োজনে সদর উপজেলা বেগুনবাড়ি ইউপির নতুন পাড়ায় গ্রামে গিয়ে ডিসি ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম নতুন এ ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুরকুতুবুল আলম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ-আল মামুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান সোহাগ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাকসুদা আক্তার মাসুসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘মুজিব শতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার  অর্থায়নে বৃদ্ধা মর্জিনা বেগমেকে একটি নতুন ঘর তৈরি করে দিচ্ছি।’ আগামী দিনগুলোতে ওই বৃদ্ধার যেন কোনো সমস্যা না হয় সে বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন ডিসি।

এদিকে জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মর্জিনা বেগম বলেন, ‘ডিসি স্যার আমাকে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিলেন। আমি স্যারের কাছে আজীবন ঋণী। ’

প্রসঙ্গত, সদর উপজেলার বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামের মর্জিনা বেগমের মাটির তৈরি ঘরটি চলতি বছর বর্ষার কারণে ভেঙে যায়। বাড়ি নির্মাণে অর্থ না থাকায় তিনি অন্যের বাড়িতে গিয়ে থাকতেন। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে ছেলে, ছেলের বউ ও নাতি-নাতনিদের নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তিনি।

advertisement
Evaly
advertisement