advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জামালপুরে বৃদ্ধের সঙ্গে শিশুর বিয়ে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ নভেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২০ ২২:৫৫
advertisement

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে নাতি ধর্ষণের দায়ে ৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ দাদার সঙ্গে ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের কিশোরীর বিয়ে দেওয়ার ঘটনা তদন্ত করে আগামী রবিবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিষয়টি নজরে আনার পর গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিনের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আইনজীবী বাশার জানান, একটি

শিশুর যে বিয়ে দেওয়ার ঘটনা এসেছে সেটি আমরা নজরে নিয়ে এসেছিলাম। আদালত জামালপুরের ডিসি, এসপি এবং দেওয়ানগঞ্জের ওসিকে বলেছেন ঘটনাটি তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন আগামী রবিবারের মধ্যে দেওয়া হয়।

গত ২০ নভেম্বর গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউপির বয়ড়াপাড়া গ্রামের একটি মহিলা মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই এলাকার সুরমান আলীর বখাটে ছেলে শাহিনের শারীরিক সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে কবিরাজি চিকিৎসায় মেয়েটির গর্ভপাত ঘটানো হয়। বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ১৬ নভেম্বর স্থানীয় ইউপি সদস্য ও স্থানীয় মাতবররা এ বিষয়ে সালিশ বৈঠক করেন। সালিশে ধর্ষক শাহিনকে ১০টি দোররা মেরে তার কর্মকা-ের দায় চাপিয়ে দেওয়া হয় ৮৫ বছরের বৃদ্ধ দাদার ওপর। পরে দাদা মহির উদ্দিনের সঙ্গে ভুক্তভোগী ১১ বছরের কিশোরীর বিয়ে দেন স্থানীয় মাতবররা।

৮৫ বছরের বৃদ্ধ মহির উদ্দিন ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না, চোখেও ঝাপসা দেখেন। তিনি সাত সন্তানের বাবা। তার দুই স্ত্রী অনেক আগে মারা গেছেন। তৃতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাসকারী মহির উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বিয়ের ব্যবস্থা করেছে স্থানীয় চর আমখাওয়া ইউপি সদস্য নাদু মেম্বারসহ আরও কয়েকজন।

advertisement
Evaly
advertisement