advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নারী নির্যাতন মামলায় ৪৭ দম্পতিকে মিলিয়ে দিলেন আদালত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
২৫ নভেম্বর ২০২০ ১৫:৫৪ | আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২০ ১৬:০১
আদালতে ৪৭ দম্পতিকে আপোস করিয়ে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিজেদের স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন সুনামগঞ্জের ৪৭ নারী। এ ৪৭ মামলায় একসঙ্গে রায় দিলেন সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন। আদালত আসামিদের কারাগারে না পাঠিয়ে সংসার জীবন চালিয়ে যাওয়ার শর্তে বাদীদের সঙ্গে আপোস করিয়ে দিয়েছেন।

আজ বুধবার দুপুর ১টায় আদালত এ রায় দেন। এ সময় সকল মামলার বাদী-বিবাদী, তাদের আইনজীবী ও পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নান্টু রায়ও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের পক্ষ থেকে ৪৭ দম্পতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।  

আদালতের আপোস করিয়ে দিয়ে এক দম্পতি। ছবি : আমাদের সময় 

আদালতের আপোসনামায় ৪৭ দম্পতি অঙ্গীকার করেন, সন্তানাদি নিয়ে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে সংসার ধর্ম পালন করবেন তারা। সংসারে শান্তি বিনষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করবেন না। স্বামী-স্ত্রী উভয়কে যথাযোগ্য মর্যাদা দেবেন। স্বামী তার স্ত্রী বা তার মা-বাবা ও অভিভাবকের কাছে যৌতুক দাবি করবেন না। পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমানিল্য ও বিরোধ দেখা দিলে নিজেরা আলাপ-আলোচনা করে সমাধান করবেন। স্বামী কখনো স্ত্রীকে নির্যাতন করবেন না, স্ত্রীকে নির্যাতন করলে বা যৌতুক দাবি করলে স্ত্রী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন পারবেন। 

সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নান্টু রায় বলেন, ‘আদালত পৃথক ৪৭টি নারী-শিশু নির্যাতন দমন মামলায় একসঙ্গে যুগান্তকারী একটি রায় দিয়েছেন। আদালতে যে শুধু শাস্তিই হয় তা না, পরিবারে শান্তিও ফেরানো হয়; তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে এসব মামলার রায়ে। সকল মামলার বাদী-বিবাদীকে আপোসে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালত বলেছেন- স্বামী-স্ত্রীকে মিলেমিশে পরিবারে একত্রে বসবাস করতে হবে। ভবিষ্যতে তারা ঝগড়-বিবাদ না করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করবেন।’

advertisement
Evaly
advertisement