advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চিরনিদ্রায় জাদুকর

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৮ নভেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ নভেম্বর ২০২০ ২২:৪৪
advertisement

বিউগলের করুণ সুর বেজে চলেছে। কারও সেদিকে নজর নেই। পথের দুপাশে হাজার হাজার মানুষ শেষবারের মতো দিয়েগো ম্যারাডোনার চলে যাওয়া দেখতে চান। অঝোরে কাঁদছেন কেউ। আবার মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন অনেকে। ম্যারাডোনাকে শেষবারের মতো দেখতে গিয়ে অনেকে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি করে রক্তাক্তও হলেন! ফুল, পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুনে পুরো বুয়েন্স আয়ার্স ছেয়ে গেছে। অন্তত তার শববাহী গাড়িটি একনজর দেখার জন্য আকুল ছিল সমর্থকদের মন।

পুরো বিশ্বকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে বুধবার না ফেরার দেশে পাড়ি জমান আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা। বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে দেশের সর্বোচ্চ মরণোত্তর সম্মান প্রদর্শনের পর স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সমাহিত করা হয়েছে ম্যারাডোনার মরদেহ।

নিজ জন্মস্থান বুয়েন্স আয়ার্সের উপকণ্ঠে অবস্থিত বেলা ভিস্তা সমাধিস্থলে সমাহিত করা হয়েছে ম্যারাডোনাকে। যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন ম্যারাডোনার বাবা দিয়েগো ম্যারাডোনা চিতোরো (১৯২৭-২০১৫) এবং মা দালমা সালভাদোরা ফ্রান্সো (১৯৩০-২০১১)। মা-বাবার পাশেই দাফন করা হয়েছে ম্যারাডোনার মরদেহ।

শহরের মধ্য দিয়ে শবযান যাওয়ার সময় রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রিয়

নায়ককে শেষ বিদায় জানান ভক্তরা। বেইয়া ভিস্তা সমাধিস্থলের বাইরেও অবস্থান নিয়েছিলেন হাজারো ভক্ত। তার আগে কাসা রোসাদার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে দিনভর ম্যারাডোনোর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অসংখ্য ভক্ত। আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকা ও ম্যারাডোনার প্রতীকে পরিণত হওয়া ১০ নম্বর জার্সিতে মোড়ানো ছিল কফিন। ভক্তরা কেঁদেছেন, চুমুু দিয়েছেন, প্রার্থনা করেছেন, আবেগের প্রকাশ করেছেন নানাভাবে।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের লাইন বৃহস্পতিবার বিকাল নাগাদ এক কিলোমিটার ছাড়িয়ে যায়। বিকাল চারটায় পূর্ব নির্ধারিত সময়ে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে ফটক বন্ধ করার চেষ্টা করলে ভক্তদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। কাঁদানে গ্যাস ও রবার বুলেট ব্যবহার করার খবর এসেছে বলেও জানায় বিবিসি। আহত মানুষের রক্তাক্ত ছবি এসেছে গণমাধ্যমে। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে বুধবার ৬০ বছর বয়সে মারা যান ফুটবল ইতিহাসের সেরা ফুটবলারদের একজন ও বর্ণময় এই চরিত্র।

advertisement
Evaly
advertisement