advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প শুরু করছে চীন

আমাদের সময় ডেস্ক
১ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২০ ২৩:১২
advertisement

ব্রহ্মপুত্র নদের উজানে অর্থাৎ ‘ইয়ারলুং জ্যাংবো’ নদীতে বাঁধ দিয়ে ৬০ গিগাওয়াটের বিশাল জলবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প শুরু করতে চলেছে চীন। ইতোমধ্যেই যার প্রাথমিক কাজও শুরু করে দিয়েছে দেশটি। গত সোমবার পাওয়ার কন্সট্রাকশন অব চায়নার চেয়ারম্যান ইয়ান ঝিইয়ংয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা। বেইজিংয়ে এক কনফারেন্সে ব্রহ্মপুত্রের এই বাঁধকে ঐতিহাসিক সুযোগ আখ্যায়িত করে ইয়ান ঝিইয়ং বলেছেন, এটি কেবলমাত্র দেশের শক্তি পরিকল্পনাগুলো পূরণেই সহায়তা করবে না, একইসঙ্গে পানি সরবরাহের সুরক্ষাও

জোরদার করবে।

ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি হিমালয় পর্বতমালার কৈলাস শৃঙ্গের কাছে জিমা ইয়ংজং হিমবাহে, যা তিব্বতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। পরবর্তীতে এই নদ ভারতের অরুণাচল, আসাম হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। এখানে এই জলধারা কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করে ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনার সঙ্গে মিশেছে। ফলে চীন নদের উজানে বাঁধ দিলে তার প্রভাব ভাটির দিকেও ভালোভাবেই পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বলছে, বেইজিংয়ের ১৪তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হতে পারে। ইতোমধ্যে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি ঘোষণা দিয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে তারা এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায়।

এদিকে চীনের এই পরিকল্পনায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে প্রতিবেশী ভারতের কপালে। কারণ ব্রহ্মপুত্র নদের সমতল যাত্রাপথের বেশিরভাগটাই ভারতের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে। ফলে নদীর উচ্চগতিতে পরিবর্তন এলে বা কোনো বাধা তৈরি হলে ভাটির দিকে পরিবর্তন হতেই পারে। তাতে ব্রহ্মপুত্রনির্ভর মানুষরা নানা সমস্যায় পড়তে পারেন।

এর আগে ভারত বারবার চীনকে অনুরোধ করেছে, নদীর উজানে যেন এমন কিছু বানানো না হয়, যাতে ভাটিতে কোনো ক্ষতি হয়। সে কারণেই ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর বাঁধ বানানো নিয়ে চিরকালই কৌতূহল প্রকাশ করছে।

advertisement
Evaly
advertisement