advertisement
advertisement

সব খবর

advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

‘মোহসেন ফখরিজাদাহ হত্যায় দূর নিয়ন্ত্রিত মেশিনগান ব্যবহার করা হয়’

অনলাইন ডেস্ক
১ ডিসেম্বর ২০২০ ১২:০৭ | আপডেট: ১ ডিসেম্বর ২০২০ ১৫:০৩
রাষ্ট্রীয়ভাবে মোহসেন ফখরিজাদাহর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। ছবি : বিবিসি
advertisement

ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফখরিজাদাহকে হত্যা করতে ঘাতকরা নতুন ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে বলে জানিয়েছেন দেশটির নিরাপত্তা প্রধান আলি শামখানি। মোহসেনকে হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে ইরানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানলেও তারা তা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপতা কাউন্সিলের সচিব আলি শামখানি বলেন, ফখরিজাদাহের ওপর ঠিক কোন জায়গায় আক্রমণ চালানো হবে তাও তারা জানতেন। কিন্তু এ হত্যাকাণ্ডে ঘাতকরা একেবারে নতুন, পেশাদার এবং ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। তাই তা ঠেকানো যায়নি।

তিনি বলেন ‘মোহসেনকে হত্যার পেছনে যারা ছিল তারা দূর নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করে। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে কেউ উপস্থিত ছিল না।’

ইরান এর আগে জানায়, রাজধানী তেহরানের কাছে আবসার্দ শহরে একদল আক্রমণকারী ফখরিজাদাহর গাড়িতে গুলিবর্ষণ করে এবং এরপর দেহরক্ষীদের সঙ্গে তাদের গুলি বিনিময় হয়। কিন্তু এখন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সংশ্লিষ্ট ফার্স নিউজ এজেন্সি বলছে, ‘ফখরিজাদাহকে একটি দূরনিয়ন্ত্রিত মেশিনগান দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

আলি শামখানি বলেছেন, ‘ফখরিজাদাহকে হত্যার ওই পরিকল্পনা সম্পর্কে ইরানি গোয়েন্দা বিভাগ জানতো কিন্তু এতে যে অভিনব পন্থা ব্যবহার করা হয়েছে তা ঠেকানো যায়নি। এটা ছিল অত্যন্ত জটিল মিশন।’

অ্যাডমিরাল শামখানি বলেন, ‘হামলাকারীদের পরিচিতি সম্পর্কে ‘কিছু সূত্র’ পাওয়া গেছে। নির্বাসিত ইরানি দল মোজাহেদীন ই খাল্ক এর সদস্যরা ‘নিশ্চিতভাবে’ জড়িত বলে তিনি ইঙ্গিত করেছেন। ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সংশ্লিষ্টতার কথাও তিনি বলেছেন।

প্রেস টিভি নামে ইংরেজি টিভি চ্যানেল একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলেছে এই হত্যাকান্ডে ইসরায়েলি সামরিক শিল্পের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। এর আগেই ফখরিজাদাহর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইসরায়েল জড়িত বলে দাবি করেন ইরানের নেতারা। তবে ইসরায়েল এসব দাবির ব্যাপারে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। ইসরায়েল বিশ্বাস করতো যে ফখরিজাদাহ একটি গোপন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি কর্মসূচির তত্ত্বাবধান করছিলেন। যদিও ইরান সবসময়ই দাবি করে এসেছে যে তার পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ।

গতকাল সোমবার তেহরানে রাষ্ট্রীয়ভাবে ফখরিজাদাহের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়া মৃতদেহ বহন করে সৈন্যরা। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির হাতামি এক বক্তৃতায় বলেন, এই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

advertisement
Evaly
advertisement