advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক
১ ডিসেম্বর ২০২০ ২০:৫৭ | আপডেট: ১ ডিসেম্বর ২০২০ ২২:২৮
পুরোনো ছবি
advertisement

অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের পৃথক দুই মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরখাস্তকৃত গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে বাদলের দুই দিন করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর বেগম ইয়াসমিন আরা এ রিমান্ডের আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব-১ আসামিকে আদালতে হাজির করে ফের তিন দিন করে ৬ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

অবৈধ অস্ত্র, জাল নোট ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে গাড়িচালক আবদুল মালেক ওরফে ড্রাইভার মালেককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জাল নোট, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব-১ এর পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যান) আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।

পরদিন আদালত মালেকের দুই মামলায় সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ৫ অক্টোবর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর র‌্যাব-১ তদন্তভার পাওয়ার পর ফের রিমান্ড আবেদন করল।

জানা যায়, রাজধানীর তুরাগে গাড়িচালক আবদুল মালেকের রয়েছে ২৪টি ফ্ল্যাটবিশিষ্ট সাত তলার দুটি বিলাসবহুল বাড়ি। একই এলাকায় ১২ কাঠার প্লট। এছাড়া হাতিরপুলে ১০ তলা ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অধিদপ্তরের কর্মচারী হলেও মালেক ছিলেন প্রভাবশালী। তিনি অধিদপ্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ, বদলি নিয়ন্ত্রণ করতেন। তার কথামতো কর্মকর্তারা কাজ না করায় তাদের নানাভাবে হয়রানি বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মালেক একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হলেও নিজে ব্যবহার করতেন পাজেরো গাড়ি। এছাড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যেসব চালকরা আছেন তাদের তেল চুরির টাকার বেশিরভাগই মালেকের পকেটে যেত। রাতারাতি বিপুল পরিমাণ টাকার মালিক বনে যান। এসব টাকা দিয়ে মালেক ঢাকা শহরে একাধিক আলিশান বাড়ি, ফ্ল্যাট এমনকি ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ টাকা রেখেছেন।

advertisement
Evaly
advertisement