advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ছাত্রকে বলাৎকারে মাদ্রাসাশিক্ষককে গণধোলাই

দুই ধর্ষণ মামলায় নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

আমাদের সময় ডেস্ক
৫ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০২০ ২৩:২৩
advertisement

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গণধোলাই দিয়েছেন অভিভাবকরা। জয়পুরহাটে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া বগুড়ার ধুনটে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর দেড় মাস আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাভারের একটি ভাড়া করা বাসা থেকে। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

জয়পুরহাট : পাঁচবিবি উপজেলার মাদখুর গ্রামে এক গৃহবধূকে অস্ত্রের মুখে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে ধর্ষণের মামলার একমাত্র আসামি রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে মাদখুর গ্রামের তার নিজ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর রহমান বলেন, উপজেলার মাদখুর গ্রামের বখাটে রবিউল ইসলাম প্রতিবেশী এক গৃহবধূকে

বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে তার নিজ বাড়িতে ধর্ষণ করে। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ শনিবার দিনের যে কোনো সময় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান পাঁচবিবি থানার ওসি মনসুর রহমান।

বগুড়া : ধুনট উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর প্রায় দেড় মাস ধরে আটক রেখে ধর্ষণের মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন- উপজেলার দেউড়িয়া গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে আবদুল মান্নান ও রিপন হোসেনের স্ত্রী সাথী খাতুন। অপহরণ ও ধর্ষণ কাজে সহযোগিতা করার জন্য তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে ধুনট থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে তাদের বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকালের দিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাভার এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপালনগর উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মাসুদ রানা গোপালনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ফজলুল হক বাবুর সহযোগিতায় ১৬ জুলাই গ্রামের রাস্তা থেকে অপহরণ করেন। মেয়েটি ওই দিন সকালে বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী কুনকইনা গ্রামে নানার বাড়ি যাচ্ছিল। এ ঘটনায় মেয়ের মা ১২ আগস্ট ধুনট থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় মাসুদ ও ফজলুল হকসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর মেয়েটিকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা বাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করেছেন তার স্বজনরা। উদ্ধারের পর ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।

মামলার বাদী জানান, আসামিদের গ্রেপ্তার ও বাদীকে সহযোগিতা করতে কোনো ভূমিকা রাখেননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আহসানুল হক। মেয়েকে উদ্ধারের পর থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মামলা তুলে নিয়ে মীমাংসা করতে চাপ দেন। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তার কাছ থেকে জোর করে সাদা কাগজেও স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পুলিশের সহযোগিতা না থাকায় অনেকটা বাধ্য হয়েই সাদা কাগজে স্বাক্ষর দেন তিনি। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) আহসানুল হককে থানা থেকে বগুড়া পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমানে মামলা তদন্ত করছেন ওসি কৃপা সিন্ধু বালা।

ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবদুল মান্নান ও সাথী খাতুনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

উল্লাপাড়া : সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একই মাদ্রাসার শিক্ষকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছেন অভিভাবকরা। তার নাম মাওলানা বেলাল হোসেন। তিনি বেলকুচি উপজেলার দেলুয়া গ্রামের সামছুল হকের ছেলে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে উপজেলার পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নের পুকুরপাড় ফয়জুল উলুম মহিউচ্ছুন্নাহ কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষক এই মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের শিক্ষক। 

advertisement
Evaly
advertisement