advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় হুমকি চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৫ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০২০ ২৩:৫৪
advertisement

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য চীন সবচেয়ে বড় হুমকি বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা জন র‌্যাটক্লিফ। তিনি ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোপনীয় সব জিনিস চুরি করে চীন ক্রমাগত তার ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে। এর পর যুক্তরাষ্ট্রের চুরি করা জিনিস দিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ধরছে। বিবিসি।

এর আগে চীনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি চীনা পণ্যের ওপর শুল্কহার বৃদ্ধি করেন। যুক্তরাষ্ট্রের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বেইজিং চুরি করছে বলে অভিযোগ করেন।

এসব কথার কোনো জবাব দেয়নি চীন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে শুল্কহার বৃদ্ধি করার জবাব দিয়েছে তারা। তারাও শুল্কহার একই রকমভাবে বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে সরিয়ে এনেছে হুয়াওয়ের প্রযুক্তি। দৃশ্যত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঢিলটি মারলে পাটকেলটি খেতে হবেÑ এমন নীতিতে চলে যায় চীন। র‌্যাটক্লিফ অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বেইজিং। তারা অর্থনৈতিকভাবে, সামরিকভাবে এবং প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বিশ্বে প্রাধান্য বিস্তার করতে চায়। এখানে উল্লেখ্য, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং এফবিআইয়ের প্রধান ক্রিস্টোফার রে’ও একই রকম কথা বলেছিলেন। সেই কথারই যেন প্রতিধ্বনি শোনালেন র‌্যাটক্লিফ।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চীনের সম্পর্কে উত্তাপ বিরাজ করছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখানো হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার একজন সেনাসদস্য আফগানিস্তানের একটি শিশুর গলা কাটছে। একে কম্পিউটারের সাহায্যে বানোয়াট বলে আখ্যায়িত করেছে অস্ট্রেলিয়া। এর প্রতিবাদে চীনকে ক্ষমা চাইতে বলেছে। কিন্তু চীন ক্ষমা চাইবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। উল্টো সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে চীন। ক্যানবেরা তার আচরণে পরিবর্তন আনুকÑ এমন একটি তালিকা প্রকাশ করেছে চীন সম্প্রতি। তার মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার মদ আমদানির ওপর শুল্কহার আরোপের বিষয় রয়েছে। বুধবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনিং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্নভাবে চীনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নিষ্পেষণ চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আশা করি যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজন মানুষকে গোয়েন্দা হিসেবে দেখা বন্ধ করবে।

এ অবস্থায় র‌্যাটক্লিফ বলেন, অর্থনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তিতে নিয়োজিত চীন। তারা এটিকে চুরি করে। তার পর তার নমুনা বানায় এবং পরে তা প্রতিস্থাপন করে। তিনি বলেন, প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ হাজার কোটি ডলারের ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি চুরি করে চীন। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা চুরির দায়ে চীনা নাগরিকদের গ্রেপ্তারও করেছে এফবিআই।

advertisement
Evaly
advertisement