advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মানিকগঞ্জের মাঠে মাঠে চলছে পেঁয়াজের আবাদ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
৫ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:১৬
advertisement

মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার মাঠে মাঠে চলছে পেঁয়াজের আবাদ। কয়েক দফা বন্যায় এ বছর পেঁয়াজের আবাদ পিছিয়েছে প্রায় এক মাস। কিছুটা বিলম্বিত হলেও আবহাওয়া ভালো থাকায় এ বছর বাম্পার ফলন হবে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ৫ হাজার ৯৫৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৪৫০ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। বাকি জমিতে পেঁয়াজ চাষে কৃষকরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।

সরেজমিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠজুড়ে পেঁয়াজ আবাদে কাজ করছেন চাষিরা। কারও কারও পেঁয়াজের চারা বপন করা হলেও অনেক কৃষক এখনো জমি তৈরি করে পেঁয়াজ বুনছেন।

হরিরামপুরের কৃষক ছকেল উদ্দিন জানান, তিন দফা বন্যায় এ বছর পেঁয়াজের আবাদ এক মাস পিছিয়ে গেছে। এখন বিভিন্ন এলাকায় পেঁয়াজের আবাদ চলছে পুরোদমে। আবহাওয়া ভালো থাকলে এ বছর ভালো ফলন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

একই উপজেলার ইজদিয়া যাত্রাপুর গ্রামের কৃষক আবদুর রাজ্জাক মোল্লা জানান, এ বছর তিনি ১০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছেন। সার, বীজ, সেচ- সব মিলিয়ে তার খরচ হয়েছে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। প্রতি শতাংশে পেঁয়াজ পাওয়া যাবে দুই মণ করে। দাম ভালো পাওয়া গেলে তিনি অন্তত ৪০-৫০ হাজার টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন।

বরঙ্গাইল এলাকার পেঁয়াজচাষি হেকমত আলী বলেন, করোনার কারণে কৃষি শ্রমিকের দাম বেশি এবার। অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। এখন কৃষকের লাভ নির্ভর করছে আবহাওয়া আর বাজারদরের ওপর। তার পরও কৃষিই আমাদের প্রধান কাজ। এ কারণে লাভ-লোকসান মাথায় নিয়েই আমাদের কৃষিকাজ করতে হয়।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সাজাহান আলী বিশ^াস জানান, বন্যার কারণে সময় কিছুটা পেছালেও আবহাওয়া ভালো থাকায় কৃষকরা এবার ভালো ফলন পাবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। ফলন ও বাজারদর ভালো পেলে কৃষকরা পেঁয়াজ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

advertisement
Evaly
advertisement