advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

তাড়াশের সুফলভোগী ১২০০০ সদস্যের সঙ্গে প্রতারণা

সাব্বির আহম্মেদ তাড়াশ
৫ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:১৬
advertisement

সিরাজগঞ্জের নিমগাছী সমাজভিত্তিক মৎস্য প্রকল্পের ৭৮৩টি পুকুরের জাল কাগজ তৈরি করে সুফলভোগী ১২ হাজার সদস্যের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ভুক্তভোগীরা এর প্রতিকার চেয়ে খাইবুর রহমান খোকনসহ কতিপয় প্রতারকের বিরুদ্ধে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেজবাউল করিমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। অবশ্য খাইবুর রহমান খোকন অভিযোগ অস¦ীকার করে বলেছেন, কাগজপত্রই বলে দেবে পুকুরগুলোর সত্যিকারের মালিককে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ, পাবনার ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর উপজেলার নিমগাছী সমাজভিত্তিক মৎস্যচাষ প্রকল্পের ৭৮৩টি পুকুর রয়েছে, যা গত ২০১১ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে মৎস্য অধিদপ্তরে হস্তান্তর করা হয়। আর পুকুর পাড়ের মৎস্যচাষি, বেকার যুবক-যুবতী, মুক্তিযোদ্ধা, অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সমন্বয়ে দল গঠন করে প্রতিবছর সরকার নির্ধারিত রাজস্ব জমা দিয়ে সুফলভোগীরা এসব পুকুরে মাছ চাষ করে আসছেন। এসব পুকুরের মাধ্যমে চার উপজেলার প্রায় ১২ হাজার সুফলভোগী বাংলা ১৪২৯ সন পর্যন্ত সমাজভিত্তিক নির্দেশনা মোতাবেক মাছচাষ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার কথা চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

রায়গঞ্জ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ও নিমগাছী মৎস্যচাষ প্রকল্পের (রাজস্ব) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, সম্প্রতি রায়গঞ্জ উপজেলার রায়গঞ্জ গ্রামের খাইবুর রহমান খোকন নামের এক ব্যক্তি ওই পুকুরগুলোর ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে দখলের পাঁয়তারা করছেন।

এদিকে সুফলভোগীদের সভাপতি বাবুলাল রজক বলেন, ওই প্রতারক সরকারি পুকুরগুলোর ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এলাকায় বিভ্রান্তির চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে সুফলভোগীদের বঞ্চিত করার চেষ্টাসহ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাহেদ আলী জানান, খাইবুর রহমান খোকনসহ কতিপয় প্রতারক আদালতের একটি ভুয়া রায় নিয়ে পুকুরগুলো দখলের চেষ্টা করছেন। সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাগজপত্রগুলো যাচাই করেছেন। সেগুলো ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে এবং প্রতারকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।

তাড়াশের ইউএনও মেজবাউল করিম প্রতারকের বিরুদ্ধে সুফলভোগীদের অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

advertisement
Evaly
advertisement