advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

গলাচিপার একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতাল আজও চালু হয়নি

নাসির উদ্দিন গলাচিপা
৫ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ ডিসেম্বর ২০২০ ০০:১৬
advertisement

হাসপাতালের ভবন, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, প্রচুর রোগী, চিকিৎসকদের জন্য আবাসিক ভবনও আছে। নেই শুধু চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। এ অবস্থা বিরাজ করছে গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নে নির্মিত একমাত্র মা ও শিশু হাসপাতালে। একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, একজন পাহারাদার ও ঝাড়দার দিয়ে চলছে এ হাসপাতালের কার্যক্রম। অথচ ১০ শয্যার এ হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এর মধ্যেও নিয়োগ দেয়নি প্রয়োজনীয়সংখ্যক চিকিৎসক, সেবিকা, টেকনিশিয়ানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চিকিৎসাসামগ্রী।

হাসপাতালটিতে বর্তমানে কর্মরত আছেন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা ফেরদৌসী বেগম। তিনি জানান, এখানে লোকজন কম থাকায় অনেকটা নিরাপত্তাহনীতায় ভোগেন। অবশ্য একজন নৈশপ্রহরী ও সুইপার এখানে কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় পানপট্টি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, দুই বছর আগে ভবনসহ সব অবকাঠামো নির্মাণ হলেও নেই চিকিৎসক, চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয়সংখ্যক জনবল। চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার মা ও শিশু হাসপাতালটি নির্মাণ করেছে। কিন্তু সরকারের সে উদ্দেশ্য ভেস্তে যাচ্ছে। গরিব সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা থেকে। এ চিকিৎসাসেবা সুবিধা, বিশেষ করে সিজারিয়ানের ব্যবস্থা গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও নেই। যেতে হয় জেলা সদর পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে, যা সাধারণ গরিব মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

গলাচিপা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, সরকারি বিধি অনুযায়ী মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রে একজন মেডিক্যাল অফিসার, টেকনিশিয়ান, সেবিকা নিয়োগ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এই নিয়োগ দেওয়ার দায়িত্ব স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের দপ্তরের। কী কারণে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না, তা আমার জানা নেই। তিনি আরও জানান, ওই মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এখনো সরবরাহ করা হয়নি।

advertisement
Evaly
advertisement