advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সহিংস হয়ে উঠছে পৌর নির্বাচন

আসাদুর রহমান
১৪ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২১ ০০:৫৭
চট্টগ্রামের পাঠানটুলিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের গোলাগুলিতে নিহত আজগর আলী বাবুলের লাশের সামনে শোকার্ত স্বজন। ছবি : এসএম তামান্না
advertisement

দেশজুড়ে কয়েকধাপে দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পৌরসভা নির্বাচন। করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যেও এই নির্বাচন দিন দিন সহিংস হয়ে উঠছে। প্রথম ধাপের ভোট সুষ্ঠু হলেও এরপর সহিংসতায় একাধিক ব্যক্তি নিহত ও অনেকে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মূলত কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের সমর্থকরাই আধিপত্য বিস্তার থেকে সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহমদ খান আমাদের সময়কে বলেন, সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচনের জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে চট্টগ্রামে একটি ঘটনা ঘটে গেছে। নির্বাচন রিলেটেড হোক কিংবা এর বাইরে হোক, নির্বাচনকালে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সহিংসতা রোধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, এই সহিংসতা তো বিরোধীদের মধ্যে হচ্ছে না। নিজেদের মধ্যেই হচ্ছে। এটা নিয়ে আসলে তেমন কিছু আর বলার নেই। ইসির ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকলেও তারা রাখছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গোলাগুলিতে আজগর আলী বাবুল (৫৫) নামে একজন নিহত হন। একই দিনে নারায়ণঞ্জের তারাব পৌরসভা নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে

দুই কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে দুপক্ষই তাদের ১৫/২০ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করে। সংঘর্ষ চলাকালে দুপক্ষের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

এর আগের দিন সোমবার গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা পাল্টাহামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীপুর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। পাল্টাপাল্টি মামলা দুটিতে শ্রীপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ১৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। উভয় মামলাতেই বাদীরা হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছেন। গত ১ জানুয়ারি পাবনার সাঁথিয়া পৌর নির্বাচনে পোস্টার লাগানো নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন।

২৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ২৪ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ২৬ ডিসেম্বর ঢাকার ধামরাইয়ে প্রচারের সময় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কাউন্সিলর প্রার্থীসহ আহত হন অন্তত ১০ জন। এর পরদিন কুষ্টিয়ায় ১৩ নম্বর বারখাদা ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে সোহেল সরকার (৫০) নামের একজনের মৃত্যু হয়। আহত হন পাঁচজন।

দেশে পৌরসভা রয়েছে ৩২৯টি। আগামী শনিবার দ্বিতীয় ধাপের ৬১ পৌরসভায় ভোট হবে। তৃতীয় ধাপে ৬৪টিতে ভোট হবে ৩০ জানুয়ারি। ১৪ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ ধাপে ৫৬টি পৌরসভায় ভোট গ্রহণ হবে।

 

 

 

 

 

advertisement
Evaly
advertisement