advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের গবেষণা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন
অগ্রগতি নয়, জানানো হলো প্রশংসার খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২১ ২২:৩৫
advertisement

বাংলাদেশে সংক্রমিত করোনার ভাইরাসের ৩০৪টি জিনোম সিকোয়েন্স ডেটা গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা (জিআইএসএআইডি) প্রতিষ্ঠানে জমা করেছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকায় এসব ডেটা পেয়ে বাংলাদেশ এবং বিসিএসআইআরের প্রশংসা করেছে জিআইএসআইডি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে দ্রুতগতিতে জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করায় স্বল্প সুবিধাসম্পন্ন দেশ বাংলাদেশ, শ্রীলংকা এবং সুরিনামের প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

এ তথ্য জানাতেই গতকাল রাজধানীতে বিসিএসআইআরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আফতাব আলী শেখ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গবেষক দলকে ডেটা বিশ্লেষণে সাইটেক কনসালটিং অ্যান্ড সল্যুশন লিমিটেড, যুক্তরাজ্য শাখার সিনিয়র কনসালট্যান্ট সমীর উজ্জামান সমীর এবং অস্ট্রেলিয়া শাখার সিনিয়র কনসালট্যান্ট ইশরার ওসমান বিশেষভাবে সহায়তা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে গবেষক দলের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সেলিম খানের নেতৃত্বে সহযোগী গবেষকদের মধ্যে মো. আহসান হাবীব, শাহীনা আক্তার, তানজিনা আখতার বানু, মুরশেদ হাসান সরকার, বর্ণা গোস্বামী, ইফফাত জাহান এবং মো. সাদ্দাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

‘বিসিএসআইআর-জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির কোভিড-১৯ গবেষণার অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি’ শীর্ষক ওই সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির লিখিত বক্তব্যে বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান মো. আফতাব আলী শেখ বলেন, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে অত্যাধুনিক জিনোমিক গবেষণাগার স্থাপন করা হয়েছে। বিসিএসআরআই থেকে জিআইএসএআইডিতে এখন পর্যন্ত ৩০৪টি সিকোয়েন্স জমা দিয়েছি। এর মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি আলাদা বৈশিষ্ট্যের ভাইরাস পাওয়া গেছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারাল সেন্টারের পরিচালক একেএম সামসুজ্জামান ও তার গবেষক দল এ গবেষণাকাজে নমুনা সরবরাহ করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলন ডেকে করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রশংসা পাওয়ার খবর দিলেও গবেষণায় নতুন কোনো অগ্রগতি জানাতে পারেনি। এ কারণে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েন সংস্থাটির চেয়ারম্যান। যুক্তরাজ্যে ধরা পড়া করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন বাংলাদেশেও শনাক্ত হওয়ার বিষয়েও স্পষ্ট কোনো বক্তব্য আসেনি সংবাদ সম্মেলনে।

জিনোম সিকোয়েন্সের অগ্রগতি সাংবাদিকরা জানতে চাইলে আফতাব বলেন, গবেষণার ফল তো আমরা গত মিটিংয়ে জানিয়েছি। আমরা আজকে আপনাদের ডাকার মূল কারণ কোভিড গবেষণায় আমরা একটা বড় ভূমিকা রাখছি। সারা পৃথিবীতে তিনটি দেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যে তারা সর্বপ্রথম এবং সবচেয়ে বেশি ডেটা দিতে পেরেছে, তাতে বাংলাদেশের নামটা এসেছে। এতে বিসিএসআইআর গর্বিত এবং সেই সংবাদটা জানাতে আপনাদের ডেকেছি।

বিসিএসআইআরের গবেষক দলের প্রধান মো. সেলিম খান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও তিনি কথা বলার সুযোগ পাননি। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে সংবাদ সম্মেলনস্থল ছেড়ে উঠে যান তিনি।

advertisement
Evaly
advertisement