advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পিকে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক
১৪ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২১ ২২:৩৫
advertisement

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) বান্ধবী অবন্তিকা বড়ালের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় গতকাল বুধবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

গতকালই রাজধানীর ধানমন্ডির ১০ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে অবন্তিকাকে গ্রেপ্তার করে দুদক। এর পর তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, পিকে হালদার তার অর্জিত অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অবস্থান গোপন করার উদ্দেশ্যে তার মা সন্দিগ্ধ আসামি লীলাবতি হালদারের নামে স্থানান্তর করেন। লীলাবতি হালদারের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে অবন্তিকা বড়ালসহ অন্যদের নামে স্থানান্তর করে মানিলন্ডারিং করেন। তা ছাড়া পিকে হালদার নিজের অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে সন্দিগ্ধ আসামি অবন্তিকা বড়ালকে রিলায়েন্স, পিএনএল ইন্টারন্যাশনাল এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস নামের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিধিবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে চাকরি দিয়ে তার অবৈধ ব্যবসা ও মানিলন্ডারিংয়ের কাজে যোগসাজশ করেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, পিকে হালদার পরস্পর যোগসাজশে অর্জিত অবৈধ অর্থ দিয়ে তার নিকটাত্মীয় সন্দিগ্ধ আসামি শংখ বেপারির ও আসামি অবন্তিকা বড়ালের নামে-বেনামে দেশে-বিদেশে আরও সম্পদ অর্জন করেছেন। পিকে হালদার বিদেশে পলাতক। তদন্তকালে জানা যায়, মামলার সন্দিগ্ধ আসামি অবন্তিকা বড়ালও বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পিকে হালদার অবন্তিকা বড়ালের মাধ্যমে তাদের অবৈধ অর্জিত অর্থ হন্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অবস্থান গোপন করে মানিলন্ডারিং করেছেন মর্মে প্রাথমিক তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর। অবন্তিকা বড়ালের পক্ষে দুজন আইনজীবী শুনানি করতে যান। তবে ওকালতনামায় আসামির স্বাক্ষর না থাকায় আদালত তাদের শুনানি শোনেননি। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি এ মামলায় পিকে হালদারের আত্মীয় শংখ বেপারির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ২৯ ডিসেম্বর মামলাটিতে ধানমন্ডির দুটি ফ্ল্যাটসহ পিকে হালদারের স্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন আদালত। এর আগে ২ ডিসেম্বর পিকে হালদারকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারির আদেশ দেন একই আদালত।

পিকে হালদার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। গ্রাহকদের অভিযোগের মুখে গত বছরের শুরুতেই তিনি বিদেশ পালান। গত বছরের ৮ জানুয়ারি ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।

advertisement
Evaly
advertisement