advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ধামরাইয়ে কবিরাজি চিকিৎসা নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার

আমাদের সময় ডেস্ক
১৪ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২১ ২২:৪৯
advertisement

ঢাকার ধামরাই উপজেলায় সমস্যা সমাধানের জন্য কবিরাজের কাছে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। পুলিশ অভিযুক্ত সালাম খোলজার নামে ওই কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল সকালে উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উক্ত গ্রামের মৃত ওয়ারেছ মিয়ার ছেলে।

এ দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গত সোমবার রাতে শিবগঞ্জ থানায় মেয়েটির বাবা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের চকপাড়া সরকার পাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ও দশম শ্রেণির ছাত্র মাজারুল ইসলাম। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

এছাড়া কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা করেন তার পিতা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলা উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বিকালে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। তিনি উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের আটগ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ধামরাই : পরিবারের বরাত পুলিশ জানায়, উপজেলার চৌহাট দক্ষিণপাড়া এলাকার এক গৃহবধূ স্থানীয় কবিরাজ সালাম খোলজারের কাছে চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়েছিলেন। সেখানে কবিরাজ তাকে ধর্ষণ করেন। তারপর বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দেন কবিরাজ। গত মঙ্গলবার রাতে ওই নারী ধামরাই থানায় উপস্থিত হয়ে কবিরাজের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। এলাকাবাসী ওই কবিরাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

উপজেলার কাওয়ালীপাড়া ফাঁড়ির উপ-পুলিশ পরিদর্শক আবু সাইদ জানান, নির্যাতিতাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

বগুড়া : গত ৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় স্কুলছাত্র মাজারুল ইসলাম একই গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাড়িতে ডেকে আনে। এ সময় বাড়িতে কেউ ছিল না। এই সুযোগে মাজারুল তাকে ধর্ষণ করে। ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে মাজারুল পালিয়ে যায়।

মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) পরিদর্শক মো. শাহীনুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। ধর্ষককে অচিরেই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

কুমিল্লা : মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছর ১৮ জুলাই বেলা ১১টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের আটগ্রামের আলাউদ্দিনের বসতঘরের নিচতলায় কসমেটিক্সের দোকানে কাজল কিনতে যায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী ও তার ছোট বোন। চতুর আলাউদ্দিন ছোট বোনকে একটি চুলের বেন্ড দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে দোকানের দরজা বন্ধ করে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।। পরে মেয়েটিকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে আলাউদ্দিন। এসব ঘটনা কাউকে জানালে মেয়েটিকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। গত ১১ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে মেয়েটি ঘটনা পরিবারকে খুলে বলে। গত মঙ্গলবার রাতে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন তার বাবা। চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি শুভরঞ্জন চাকমা জানান, আলাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

advertisement
Evaly
advertisement