advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বড়পুকুরিয়া খনির ২২ কর্মকর্তা জেলহাজতে

দিনাজপুর ও পার্বতীপুর প্রতিনিধি
১৪ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:২৩
advertisement

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকার কয়লা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বর্তমান ও সাবেক ২২ কর্মকর্তার জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। গতকাল দিনাজপুর স্পেশাল জজ মো. মাহমুদুল করিমের আদালতে উপস্থিত হয়ে এ ২২ কর্মকর্তা আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক জামিন শুনানি শেষে আবেদন না মঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। দিনাজপুর দুদকের পিপি মো. আমিনুর রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

দিনাজপুর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. ইসরাইল হোসেন জানান, ওই ২২ আসামিকে বিকাল সাড়ে ৪টায় কড়া পুলিশ পাহারায় জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ মামলায় চার্জশিটভুক্ত ২৩ আসামির মধ্যে সাবেক মহাব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান মৃত্যুবরণ করায় বিচারক তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছেন। চার্জশিটভুক্ত অপর ২২ আসামির বিরুদ্ধে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গ্রহণে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন বিচারক।

গত ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আনিছুর রহমান বাদী হয়ে পাবর্তীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দুদকের আওতাভুক্ত হওয়ায় দুদক সদর দপ্তরের উপপরিচালক মো. শামসুল আলম দীর্ঘসময় তদন্ত করে গত ২০১৯ সালের ২২ জুলাই কয়লা খনির সাবেক ও বর্তমান

২৩ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় আসামিরা জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত ছিলেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য দিনাজপুর স্পেশাল জজ আদালতে বদলি করা হয়। গতকাল বিচারের প্রথম দি ছিল। আসামিরা পূর্ণ জামিন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। বিচারক আসামিদের জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

মামলার দুদকের আইনজীবী পিপি মো. আমিনুর রহমান জানান, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা গত ২০০৬ সাল থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত খনি থেকে উত্তোলনকৃত ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭২২ টন কয়লা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। দুদকের তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকার কয়লা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করা হয়। আসামিরা সবাই জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কর্মরত থেকে এ অপরাধ সংঘটন করেছে।

আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান জাহানী, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম ও দিনাজপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. মাজহারুল ইসলাম সরকার মামলা পরিচালনা করেন।

advertisement
Evaly
advertisement