advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

অগ্রগতি নয়, জানানো হলো প্রশংসার খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২১ ০১:১৮
advertisement

করোনার ভাইরাসের ৩০৪টি জিনোম সিকোয়েন্সের ডেটা গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা (জিআইএসএআইডি) প্রতিষ্ঠানে জমা দিয়েছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকায় এসব ডেটা প্রাপ্তিতে বিসিএসআইআর তথা বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে জিআইএসআইডি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও দ্রুত জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করায় স্বল্প সুবিধাসম্পন্ন বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও সুরিনামের প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

এসব তথ্য তুলে ধরে গতকাল বুধবার রাজধানীস্থ বিসিএসআইআরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলনের। তবে সংবাদ সম্মেলনে করোনা গবেষণা নিয়ে কোনো অগ্রগতির খবর জানাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। এটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আফতাব আলী শেখ জানান, গবেষক দলকে ডেটা বিশ্লেষণে সাইটেক কনসালটিং অ্যান্ড সল্যুশন লিমিটেড, যুক্তরাজ্য শাখার সিনিয়র কনসালট্যান্ট সমীর উজ্জামান সমীর এবং অস্ট্রেলিয়া শাখার সিনিয়র কনসালট্যান্ট ইশরার ওসমান

বিশেষভাবে সহায়তা করেছেন। ‘বিসিএসআইআর-জিনোমিক রিসার্চ

ল্যাবরেটরির কোভিড-১৯ গবেষণার অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি’ শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে অত্যাধুনিক জিনোমিক গবেষণাগার স্থাপন করা হয়েছে। বিসিএসআইআর থেকে জিআইএসএআইডিতে এ পর্যন্ত ৩০৪টি সিকোয়েন্স জমা দিয়েছি আমরা। এর মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি আলাদা বৈশিষ্ট্যের ভাইরাস পাওয়া গেছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারাল সেন্টারের পরিচালক একেএম সামসুজ্জামান ও তার গবেষক দল এ গবেষণাকাজে নমুনা সরবরাহ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলন ডেকে করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রশংসা কুড়োনোর বার্তা দিলেও গবেষণায় নতুন কোনো অগ্রগতির খবর জানানো হয়নি। এ কারণে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েন সংস্থাটির চেয়ারম্যান। যুক্তরাজ্যে ধরা পড়া করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন বাংলাদেশেও শনাক্ত হওয়ার বিষয়েও স্পষ্ট কোনো বক্তব্য আসেনি সংবাদ সম্মেলনে।

জিনোম সিকোয়েন্সের অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বিসিএসআইআর চেয়ারম্যান বলেন, গবেষণার ফল তো আমরা গত মিটিংয়ে জানিয়েছি। আজ আপনাদের ডাকার মূল কারণ কোভিড গবেষণায় আমরা একটা বড় ভূমিকা রাখছি। সারা পৃথিবীতে তিনটি দেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যে তারা সর্বপ্রথম ও সর্বাধিক ডেটা দিতে পেরেছে, তাতে বাংলাদেশের নাম এসেছে। এতে বিসিএসআইআর গর্বিত এবং সেই সংবাদটা জানাতে আপনাদের ডেকেছি।

বিসিএসআইআরের গবেষক দলের প্রধান মো. সেলিম খান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও তিনি কথা বলার সুযোগ পাননি। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে সংবাদ সম্মেলনস্থল ছেড়ে উঠে যান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সহযোগী গবেষকদের মধ্যে মো. আহসান হাবীব, শাহীনা আক্তার, তানজিনা আখতার বানু, মুরশেদ হাসান সরকার, বর্ণা গোস্বামী, ইফফাত জাহান ও মো. সাদ্দাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
Evaly
advertisement