advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ক্যাপিটল ভবনের হামলার পর মার্কিন যৌথবাহিনীর নজিরবিহীন বিবৃতি

অনলাইন ডেস্ক
১৪ জানুয়ারি ২০২১ ১০:৪৬ | আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২১ ১০:৫৯
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সেনাপ্রধানেরা বিবৃতি দিয়ে দেশের সংবিধান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি যেকোনো ধরনর চরমপন্থাকে প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান মার্কিন সামরিক বাহিনী। কোনো রাজনৈতিক কারণে মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের এমন বিবৃতি বিরল এক ঘটনা।

এর আগে ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পের আহ্বানে রাজধানীতে জড়ো হওয়া সমর্থকদের সহিংসতায় পাঁচ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এরপরও বক্তৃতায় কোনো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো সহমর্মিতা নেই। রিপাবলিকান দলের শীর্ষ নেতা সিনেটর মিচ ম্যাককনেল সহকর্মীদের বলেছেন, ট্রাম্প অভিশংসিত হওয়ার মতো অপরাধ করেছেন। তাকে অভিশংসন করা হলে দল থেকেও ট্রাম্পকে বাদ দেওয়া সহজ হবে বলে মিচ ম্যাককনেল মনে করছেন।

ক্ষমতার বাকি মেয়াদে ইতিমধ্যেই ট্রাম্পের ওপর নিষেধজ্ঞা আরোপ করার জন্য রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকেই কংগ্রেসে একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিশংসনের পরিবর্তে সেন্সর বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ একধরনের হালকা ব্যবস্থা।

ট্রাম্পকে অভিশংসনের লক্ষ্যে এর মধ্যেই একটি বিল প্রতিনিধি পরিষদে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবটি কংগ্রেসে অপেক্ষমাণ থাকা অবস্থায় মার্কিন সংবিধানের ২৫ তম সংশোধনী কার্যকর করে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট এ নিয়ে পদক্ষেপ না নিলে অভিশংসন প্রস্তাবটি প্রথমে প্রতিনিধি পরিষদে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও ভোটে যাবে। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি আইন প্রণেতা জ্যামি রাসকিনের নেতৃত্বে নয় সদস্যের অভিশংসন কমিটি গঠন করেছেন। এসব আইনপ্রণেতা ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন।

এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স আগেভাগেই স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিকে দেওয়া এক চিঠিতে জানিয়েছেন, তিনি ২৫তম সংশোধনী কার্যকর করবেন না। সিনেটে এরই মধ্যে অন্তত তিনজন প্রভাবশালী রিপাবলিকান ট্রাম্পের অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। দুই-তৃতীয়াংশের জন্য সিনেট রিপাবলিকানদের সর্বশেষ মতিগতির দিকে লক্ষ্য রাখতে হচ্ছে।

তবে অভিশংসনের বিষয়ে ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তাকে অভিশংসন করা নিয়ে 'জীন-পরি' খোঁজার মতো করে কাজ চলছে। নিজেকে শান্তিপ্রিয় মানুষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাকে অভিশংসন করার সংবাদ অনেক ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে। সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী কার্যকর করার আহ্বানকে নিজের জন্য কোনো ঝুঁকিই মনে করেন না তিনি।

এসব প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেন শপথ নেবেন। আর ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি দুপুরের পর থেকে প্রেসিডেন্ট থাকছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন ঘটনাও আগে কখনো ঘটেনি। ক্ষমতায় নেই এমন একজন প্রেসিডেন্টের অভিশংসন নিয়ে কংগ্রেসে আইনপ্রণেতাদের বিতর্ক করার কোনো নজির নেই।

 

 

advertisement
Evaly
advertisement