advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতাসীনরা পৌরসভা দখল করেছে : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ জানুয়ারি ২০২১ ২১:১২ | আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ২২:০০
ছবি : আমাদের সময়
advertisement

নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতাসীনরা পৌরসভা দখল করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ রোববার বিকেলে স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে ঢাকা বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির প্রস্তুতি সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনগুলো কী হচ্ছে? পৌরসভা নির্বাচন গতকাল শনিবার হয়ে গেল। প্রত্যেকটি নির্বাচনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা দখল করে নিলো, ডাকাতি করে নিলো। এমনকি খুন পর্যন্ত হয়েছে সিরাজগঞ্জে। একজন কমিশনার তিনি প্রায় ৮৫ ভাগ ভোট পেয়ে জিতেছেন তাকে হত্যা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘যে ইভিএম নিয়ে তারা (সরকার) এখন ভোট করছে এই ইভিএমের মধ্যে সম্পূর্ণ কারসাজি-কারচুপি তারা রাখছে। অর্থাৎ সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্রকেই তারা আজকে নষ্ট করে ফেলেছে। ওরা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য, একদলীয় শাসন ব্যবস্থাকে পোক্ত করবার জন্য।’

বাংলাদেশে গভীর সংকট সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সংকট শুধু রাজনৈতিক সংকট নয়, অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের ন্যূনতম বাস করবার যে পরিবেশ তার সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং স্বাধীনতার সংকট শুরু হয়েছে। আমরা খবরের কাগজ খুললে দেখি,  সীমান্তে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। একদিন না দুইদিন না, চলছেই বছরের পর বছর ধরে। পৃথিবী কোনো সভ্য রাষ্ট্রে সীমান্তে এই ধরনের গণহত্যা চলতে পারে না।’

আজ বিকেলে শাহজাহানপুরে মির্জা আব্বাসের বাসায় স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর ঢাকা বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। তিনি রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছিলেন। রণাঙ্গনে যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তারাই এই দলে বেশিরভাগ যুক্ত হয়েছেন। তাই আমরা দাবি করি, আমরা এমন দল করি যে দল স্বাধীনতার ঘোষকের দল এবং রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের দল। আমরা কোনো চেতনার দল না। কেননা চেতনা কিন্তু বই পড়ে সৃষ্টি হয়, অন্য লোকের থেকে কথা শুনে বিভিন্ন কারণে চেতনা সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু সেরকম দল আমরা নই।’ সুবর্ণ জয়ন্তীর উদযাপনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃতি ইতিহাস’ তুলে ধরতে সকলকে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘সরকারি দল একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেনি। শুধু স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান ও তার দলকে খাটো করার জন্যে তাদের (আওয়ামী লীগ) প্রচার-প্রচারণা চলছে। আমরা অনবরত রেডিও টেলিভিশনে তা দেখতে পারছি। জিয়াউর রহমানের কৃতিত্বকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ যেভাবে উঠে-পড়ে লেগেছে তার প্রতিরোধে যেমনি আমরা রাজপথে মিছিল করতাম তেমনি এই সূবর্ণ জয়ন্তী যার যার সাধ্য মতো আমাদেরকে পালন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ যে যেখানে আমরা পারব শহীদ জিয়াউর রহমানের কৃতিত্ব ও পরবর্তী কার্যক্রম তিনি কী কী করেছেন দেশের জন্য তা আমরা তুলে ধরব। এটাই হবে আমাদের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ফজলুল হক মিলনের পরিচালনায় আরও অংশ নেন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, তৈমুর আলম খন্দকার, আফরোজা খানম রীতা, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, হুমায়ুন কবির খান, তমিজ উদ্দিন, ফকির মাহবুব আলম স্বপন, মজিবরুর রহমান, এলাবার্ট পি কস্টা, শামসুজ্জামান সুরুজ, অপর্না রায়, নিপুণ রায় চৌধুরী, মেহেরুন নেছা হক, আকম মোজাম্মেল, এস এম কবির জিন্নাহ, আজহারুল ইসলাম মান্নান, মোস্তাফিজুর রহমান দীপু ভুঁইয়া, রবিউল ইসলাম রবি, মাজহারুল আলম।

এ ছাড়া অঙ্গসংগঠনের আফরোজা আব্বাস, কাজী আবুল বাশার, আবদুল আলীম নকি মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, হাবিবুর রশীদ হাবিব, ইউনুস মৃধা, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, সাবিনা ইয়াসমীন, আমেনা খাতুন, রোকেয়া সুলতানা তামান্না, শামসুন্নাহার ভুঁইয়া, সুরাইয়া বেগম, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, রফিকুল আলম মজনু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, শহীদ বাবলু, ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, শফিকুল ইসলাম মিল্টন, আলমগীর হোসেন, গোলাম মনজুর, মাহবুব আলম বাদল, জেলা নেতাদের মধ্যে দেওয়ান সালাহউদ্দিন, খন্দকার আবু আশফাক, কাজী ছায়েদুল আলম বাবুল, সালাহউদ্দিন সরকার, সোহরাব উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন খান, অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সাইদুল হক সাজু, ফরহাদ হোসেন ইকবাল, আবদুস সবুর সেন্টু, শাহ রিয়াজুল হান্নান, মনজুরুল করীম রনি প্রমূখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
Evaly
advertisement