advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ ও শিশুদের নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:৩৫
advertisement

বিজয়ের ইতিহাস প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে আরও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সুস্থধারার চলচ্চিত্রের পাশাপাশি শিশুদের জন্য শিক্ষণীয় শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সঠিক ইতিহাস যাতে সবাই জানতে পারে। কারণ আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনকারী বীরের জাতি। সেই বিজয়ের ইতিহাস প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন মনে রাখতে পারে, সেই ধরনের চলচ্চিত্র আরও নির্মাণ হওয়া দরকার।’ তিনি বলেন, পরিবার-পরিজন নিয়ে দেখা যায় তেমন সিনেমা যেমন তৈরি করতে হবে, তেমনি শিশুদের জন্য চলচ্চিত্র নির্মাণটাও একান্ত জরুরি। কারণ এর মাধ্যমেই

একজন শিশু তার জীবনটাকে দেখতে পাবে এবং আগামীর জন্য নিজেকে তৈরি করতে পারবে।

গতকাল সকালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে তথ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের চলচ্চিত্রে শিল্প ও সংস্কৃতি যেমন থাকবে তেমনি বিশে^র সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য উপকরণও থাকতে হবে। পাশাপাশি, সেখানে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়, নীতি-আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন থাকাটা দরকার।

চলচ্চিত্রকে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা রাজনীতিবিদরা যত কথাই বলি না কেন, একটি নাটক, সিনেমা বা গান বা কবিতা দিয়ে অনেক কথা বলা যায় এবং মানুষের অন্তরে প্রবেশ করা যায়। মনের গহীনে প্রবেশ করা যায়। সে জন্য এর একটা আবেদন রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম চলচ্চিত্র। অথচ এটি কিন্তু দিনে দিনে শেষ হয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া এই ডিজিটাল যুগে, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে না করা হলে এর আকর্ষণ যেমন থাকে না তেমনি বাজারও পাওয়া যায় না। সে জন্যই বিএফডিসিকে উন্নত করায় সরকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের এই শিল্প নষ্ট হয়ে যাক কখনো সেটি আমরা চাই না। আমাদের দর্শক টানতে হবে। মানুষ যাতে সিনেমা দেখে তার ব্যবস্থা করতে হবে।

ঢাকার অদূরে কালিয়াকৈরের কবিরপুরে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফিল্ম সিটি’ নির্মাণের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে বলেও শেখ হাসিনা তার ভাষণে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সেখানে আধুনিক সিনেমা তৈরি করতে যা যা প্রয়োজন, সেই ধরনের সব সুবিধা রাখা হচ্ছে। যাতে আমাদের সিনেমা শিল্পটা উপযুক্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। কারণ এখন ডিজিটাল যুগ। আমাদের চলচ্চিত্র কেবল দেশে নয়, বিদেশেও যাতে যেতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সেন্সর সংক্রান্ত আইন ও বিধি আধুনিকভাবে তৈরি করব। সেগুলো কঠোরভাবে যেন মানা হয় সেদিকেও বিশেষ দৃষ্টি দিচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, এক হাজার কোটি টাকার একটি ফান্ড আমরা তৈরি করব। যেখান থেকে অল্প সুদে টাকা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা সিনেমা হল বা সিনেপ্লেক্স তৈরি করতে পারবে। যার মাধ্যম ওই অঞ্চলের মানুষের বিনোদনের ব্যবস্থাটা হবে। তিনি বলেন, অনেকগুলো সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেছে। কাজেই সেগুলোকে পুনরায় চালু করা শুধু নয়, এর আধুনিকায়ন করতে হবে। কারণ ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন অনেক উন্নতমানের সিনেমা তৈরি করা যায়। সে দিকেই আমরা বিশেষভাবে দৃষ্টি দিচ্ছি এবং সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।

তেজগাঁও আসনের সংসদ সদস্য থাকার সময় তিনি বিএফডিসির সড়কটি নির্মাণ করেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এর কাছেই থাকা কারওয়ানবাজারের পাইকারি বাজারও ধীরে ধীরে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করবে সরকার। কাছেই থাকা হাতিরঝিলসহ আশপাশের এই এলাকাটাকেও সরকার সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চায়। তিনি বলেন, এ জন্য ৩২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারের বিএফডিসি কমপ্লেক্স নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

এই শিল্পের আধুনিকায়নে যা যা দরকার তার সরকার সব কিছুই করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, আমি তো রয়েছিই সবসময় আপনাদের পাশে। কেননা এই এফডিসি আমার বাবার হাতে গড়া এবং এই সিনেমা তরির উৎসাহ তিনি নিজেই দিয়েছিলেন। কাজেই সেটি মাথায় রেখে আমি সবসময় কাজ করি। করোনার কারণে বিশ^ স্থবিরতার প্রসঙ্গ টেনে এর মধ্যেও তার সরকার চলচ্চিত্রশিল্পের বিকাশে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যাতে সিনেমাশিল্প ভালোভাবে প্রচলিত হয়, মানুষ যেন বিনোদনের সুযোগ পায়, সে চিন্তা থেকেই আমরা ফান্ড সৃষ্টি করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রচেষ্টায় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সুরক্ষায় চলচ্চিত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে সনাতন চলচ্চিত্রের সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের কার্যক্রম পুনরুদ্ধারকরণ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০২০’ প্রণয়নে আমি নিজেই করার উদ্যোগ নিয়েছি। কেননা আমার পরিচিত অনেক শিল্পীকেই দুর্দশাগ্রস্থ দেখেছি। দুর্দশাগ্রস্থ শিল্পীদের তিনি যেমন সহযোগিতা করেন তেমনি তার ছোট বোন শেখ রেহানা অনলাইন পত্রিকা থেকে এ সম্পর্কিত কোনো তথ্য পেলে তার নজরে আনেন বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমি এখন আছি, সাহায্য করছি; কিন্তু যখন থাকব না, তখন কী হবে সেই চিন্তা থেকেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০২০ এই আইনটা করার উদ্যোগ নিয়েছি। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার জন্য ব্যবস্থা করেছি।

যারা নেপথ্যে থেকে এই চলচ্চিত্রকে সুন্দর করার জন্য দিনরাত কাজ করছেন, সেই যন্ত্রশিল্পী থেকে কলাকুশলী, মঞ্চসজ্জায় সম্পৃক্ত সবার বিষয়টিই তার সরকার এই ট্রাস্টে রেখেছে। যাতে বিপদে-আপদে প্রত্যেকেই এই ট্রাস্ট থেকে অনুদান নিতে পারেন, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এই ফান্ড সম্প্রসারণে চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৯ প্রদান

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে হয়ে গেল ৪৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে কলাকুশীলবদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এ পুরস্কার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পুরস্কার প্রদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সুস্থ ধারার পারিবারিক, শিশুতোষ ও মুক্তিযুদ্ধের ছবি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এমনভাবে সিনেমা তৈরি করতে হবে, যেন পরিবার-পরিজন নিয়ে দেখতে পারি।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন প্রাণ সঞ্চার করছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে আমরা ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে যেমন স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে দেব, তেমনই বঙ্গবন্ধুর হাতে যাত্রা শুরু হওয়া আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পও বিশ্ববাজারে একটি বিশেষ স্থান করে নেবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্যসচিব খাজা মিয়া। এ সময় চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ২০১৯ সালের পুরস্কার দেওয়া হয়। ওই বছর নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্য থেকে ২৫টি ক্যাটাগরিতে ৬টি যুগ্মসহ মোট ৩১ জনকে নির্বাচিত করে জুরি বোর্ড। এর সঙ্গে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা) ও কোহিনুর আক্তার সুচন্দাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার গ্রহণের পর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে চিত্রনায়ক সোহেল রানা বলেন, ‘জীবনের প্রথম পুরস্কার নিয়েছিলাম আজকের প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে। আজও ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কারটি নেব। এসে শুনলাম ওনার হাত থেকে পুরস্কার নিতে পারছি না। যখন জানতে পারলাম আমাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে, তখন আমার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হলো। হৃদয়ের মাঝখানে আমার যেন একটা দুঃখবোধ চলে এলো। কিন্তু আমি বুঝে উঠতে পারলাম না সেই দুঃখবোধটা কেন! চলচ্চিত্র জগতে আমি গত ৪৬ বছর ধরে কাজ করছি, এখানে আমার যতটুকু পাওনা ছিল, আজ বোধহয় তার ইতি হয়ে গেল। সে কারণেই হয়তো দুঃখবোধটা।

দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের একমাত্র রাষ্ট্রীয় এবং সর্বোচ্চ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ প্রাপ্তরাÑ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (যুগ্ম) : ন ডরাই ও ফাগুন হাওয়ায়। শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র : নারী জীবন। শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র : যা ছিল অন্ধকারে। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক : তানিম রহমান অংশু (ন ডরাই)। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে : তারিক আনাম খান (আবার বসন্ত)। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে : সুনেরাহ বিনতে কামাল (ন ডরাই)। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্বচরিত্রে : এম ফজলুর রহমান বাবু (ফাগুন হাওয়ায়)। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্বচরিত্রে : নারগিস আক্তার (হোসনে আরা) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে : জাহিদ হাসান (সাপলুডু)। শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (যুগ্ম) : নাইমুর রহমান আপন (কালো মেঘের ভেলা) ও আফরীন আক্তার (যদি একদিন)। শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক : মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ইমন (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক : হাবিবুর রহমান (মনের মতো মানুষ পাইলাম না)। শ্রেষ্ঠ গায়ক : মৃণাল কান্তি দাস (তুমি চাইয়া দেখো...) (শাটল ট্রেন)। শ্রেষ্ঠ গায়িকা (যুগ্ম) : মমতাজ বেগম (বাড়ির ওই পূর্বধারে...) (মায়া দ্য লস্ট মাদার) ও ফাতিমা-তুয-যাহরা ঐশী (মায়া, মায়া রে...) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ গীতিকার (যুগ্ম) : নির্মলেন্দু গুণ (ইস্টিশনে জন্ম আমার...) (কালো মেঘের ভেলা) ও ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী (কবি কামাল চৌধুরী) (চল হে বন্ধু চল...) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ সুরকার (যুগ্ম) : প্লাবন কোরেশী (আব্দুল কাদির) (বাড়ির ওই পূর্বধারে...) ও সৈয়দ মো. তানভীর তারেক (আমার মায়ের আঁচল...) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার : মাসুদ পথিক (মাসুদ রানা) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার : মাহবুব উর রহমান (ন ডরাই)। শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা : জাকির হোসেন রাজু (মনের মতো মানুষ পাইলাম না)। শ্রেষ্ঠ সম্পাদক : জুনায়েদ আহমদ হালিম (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ শিল্পনির্দেশক (যুগ্ম) : মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ বাসু ও মো. ফরিদ আহমেদ (মনের মতো মানুষ পাইলাম না)। শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক : সুমন কুমার সরকার (ন ডরাই)। শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক : রিপন নাথ (ন ডরাই)। শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা : খোন্দকার সাজিয়া আফরিন (ফাগুন হাওয়ায়)। শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান : মো. রাজু (মায়া দ্য লস্ট মাদার)।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজন। দেড় ঘণ্টার এ আয়োজন প্রধানমন্ত্রীও উপভোগ করেন গণভবন থেকে। এতে একটি করে গানে অংশ নেন লিজা (শালুক শালুক), অলক সেন (সুরের ভুবনে) ও লুইপা-অপু (তুমি শুধু আমারই)। পাশাপাশি নাচে অংশ নেন চলচ্চিত্রের পাঁচ শিল্পীÑ ফেরদৌস-অপু বিশ্বাস, সাইমন সাদিক-মাহিয়া মাহি এবং নুসরাত ফারিয়া। এর মধ্যে ফারিয়া তার গাওয়া ‘পটাকা’ ও ‘আমি চাই থাকতে’ এবং ‘রসিক আমার’ গানের সঙ্গে নাচ পরিবেশন করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু ও শেষ হয় অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ ও ওয়ার্দা রিহাবের দলীয় নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। পুরো আয়োজনটি উপস্থাপনা করেন অভিনেতা আনিসুল হক মিলন ও অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা।

advertisement