advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ
আট আসামির বিচার শুরু ২৪ জানুয়ারি

সিলেট ব্যুরো
১৮ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:৩৫
advertisement

সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ হবে আগামী ২৪ জানুয়ারি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি রাশিদা সাঈদা খানম।

গতকাল বেলা ১১টায় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হকের আদালত সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার চার্জ গঠন করেন। এর মাধ্যমে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হলো।

বেলা সাড়ে ১১টায় কড়া নিরাপত্তায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার ৮ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এ সময় অর্জুন লস্কর ও মাহবুবুর রহমান রনির জামিন এবং সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি ও রবিউল ইসলামের ডিসচার্জ আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে

বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে রবিবার (১৭ জানুয়ারি) চার্জ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। সেদিন এ চার্জশিটে কোনো ধরনের কোনো আপত্তি নেই বলে

জানিয়েছিলেন বাদী পক্ষের আইনজীবীরা।

অভিযুক্তরা হলেনÑ ছাত্রলীগ কর্মী ও এমসি কলেজের ছাত্র সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়া, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুম।

অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজনকে সরাসরি ধর্ষণে সম্পৃক্ত এবং রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুমকে ধর্ষণের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই আটজনই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ভিতরে একটি রাস্তায় স্বামীকে আটকে প্রাইভেটকারের ভিতরে ওই গৃহবধূকে (২৫) পালাক্রমে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী। ঘটনার রাতেই নির্যাতিতার স্বামী বাদী হয়ে এসএমপির শাহপরান থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে ৬ আসামিসহ সন্দেহভাজন আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৯ ও পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া আটজনই মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ফৌজদারি দ-বিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলাটি তদন্ত করে গত ৩ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। এ মামলায় মোট সাক্ষী করা হয়েছে ৫২ জনকে।

advertisement