advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সামাজিক মাধ্যম
ট্রাম্প নিষিদ্ধ হওয়ার পর ৭৩% তথ্যভ্রান্তি কমেছে

জাহাঙ্গীর সুর
১৮ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২১ ০৯:০৪
বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুরোনো ছবি
advertisement

বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কয়েকটি সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করার পর টুইটারসহ যোগাযোগের নবমাধ্যমগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ নির্বাচনে জালিয়াতিবিষয়ক তথ্যভ্রান্তি ‘নাটকীয়ভাবে’ কমে গেছে। জিগন্যাল ল্যাব বলছে, ট্রাম্প নিষিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে অনলাইনে ভুল তথ্য ছড়ানো কমেছে শতকরা ৭৩ ভাগ।

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প নিষিদ্ধ হওয়ার আগে নির্বাচনী জালিয়াতির কথা সামাজিক মাধ্যমগুলোয় ২৫ লাখ বার উল্লিখিত হতো। ট্রাম্প নিষিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর এ সংখ্যা নেমে এসেছে ৬ লাখ ৮৮ হাজারে।

না জেনে এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য হাসিলের অভিপ্রায় না রেখে ভুল তথ্য ছড়ালে তাকে ভুয়া-তথ্য বা তথ্যভ্রান্তি (মিসইনফরশেন) বলা হয়। আর উদ্দেশ্যমূলক ভুয়া তথ্যকে বিকৃত-তথ্য বা তথ্যবিকৃতি (ডিসইনফরশেন) বলা হয়। ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে জালিয়াতির ভিত্তিহীন, অপ্রমাণিত অভিযোগ তুলে যে তথ্যভ্রান্তি ছড়াচ্ছিলেন ট্রাম্প, সেটা তার সমর্থকরাও ছড়ানো শুরু করলে প্রেসিডেন্ট এটাকে ক্ষমতা ধরে রাখার কৌশল হিসেবে কাজে লাগানো শুরু করে। এ রকম তথ্যবিকৃতির পরিণতি হলো মার্কিন কংগ্রেস ভবনে উগ্রবাদীদের দাঙ্গামা। ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নজিরবিহীন ওই নৈরাজ্যে অন্তত পাঁচটা প্রাণ ঝরে গেছে। এ কারণে ‘স্থায়ীভাবে’ ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করেছে টুইটার। এ ছাড়া ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, স্পটিফাই, শপিফাই নামের সামাজিক মাধ্যমগুলোও তাকে নিষিদ্ধ করেছে।

ঠিক কী কারণে তথ্যভ্রান্তি ছড়ানো কমে গেল, এ নিয়ে বিস্তর অনুসন্ধান দরকার। তবে ট্রাম্প নিষিদ্ধ হওয়ার পর টুইটার ও ফেসবুক থেকে তার সমর্থকরাও দলে দলে নিজেদের অ্যাকাউন্ট বাতিল করা শুরু করে। স্বভাবতই, অনলাইনে নির্বাচনী জালিয়াতি নিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর লোকের সংখ্যা কমে যাওয়ার কথা।

 

 

 

 

 

 

advertisement