advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

আ.লীগের পরাজয়ের কারণ বিদ্রোহ-কোন্দল

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
১৮ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:৩৫
advertisement

সারাদেশে পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যখন জয়জয়কার, তখন হবিগঞ্জের তিনটি পৌর সভাতেই বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা।

দলীয় কোন্দল, বিদ্রোহী প্রার্থী, প্রার্থী মনোনয়নে দুর্বলতা, নির্বাচনের পূর্বে সংঘর্ষসহ বিভিন্ন কারণে এই বিপর্যয় বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে নির্বাচনে মাধবপুরে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থীকে জামানত পর্যন্ত হারাতে হয়েছে।

গত শনিবার নবীগঞ্জ ও মাধবপুরে পৌর নির্বাচনে দুটোতেই পরাজিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। নবীগঞ্জে বিএনপি প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র ছাবির আহমেদ চৌধুরী ৫ হাজার ৭৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী গোলাম রসুল চৌধুরী রাহেল পান ৫ হাজার ৪৮৫ ভোট।

মাধবপুর পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান মানিক ৫ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী শ্রীধাম দাশ গুপ্ত পেয়েছেন ৫৬৮ ভোট। ওই পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দুই প্রার্থী পঙ্কজ কুমার সাহা ৪ হাজার ১৫৬ ও শাহ মোহাম্মদ মুসলিম ৩ হাজার ৪৯ ভোট পেয়েছেন। এর আগে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভাতেও আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহীপ্রার্থী থাকায় বিএনপির কাছে পরাজিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী পরাজয়ের কারণ সম্পর্কে মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক বলেন, একদিকে দলের একাধিক বিদ্রোহীপ্রার্থী অন্যদিকে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে তৃণমূল কর্মী সমর্থক এগিয়ে না আসায় নৌকার পরাজয় ঘটেছে। পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহ মো. সেলিম

বলেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মতামত উপেক্ষা করে প্রার্থী মনোনয়ন করায় নৌকাকে এগিয়ে নেওয়া যায়নি। মাধবপুর

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সুকোমল রায়ের মতে, সঠিকভাবে যাচাই না করে জনবিছিন্ন ব্যক্তির কাছে নৌকা মার্কা তুলে দেওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহিদ আহমেদ উভয়ই প্রশাসনের অসহযোগিতাকে দলীয় প্রার্থীর পরাজয় হিসেবে দাবি করছেন। এ ছাড়া কালোটাকার ছড়াছড়িও এর কারণ বলে উল্লেখ করেন।

advertisement