advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ঘুষের ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার
ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপালের বিরুদ্ধে বাদীর সাক্ষ্য অব্যাহত

আদালত প্রতিবেদক
১৮ জানুয়ারি ২০২১ ১৯:৪৯ | আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২১ ১৯:৪৯
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিক ও তার কাছ থেকে জব্দকৃত টাকা
advertisement

ঘুষের আশি লাখ টাকা উদ্ধারের মামলায় সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ অব্যাহত রেখেছেন আদালত। আজ সোমবার মামলাটিতে মামলার এহাজারকারী দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিনের জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর আসামি পক্ষের আইনজীবী আংশিক জেরা করেছেন। এরপর ঢাকার ১০ নম্বর বিশেষ জজ মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম এ সাক্ষীর অবশিষ্ট জেরার জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর একই আদালতে এ সাক্ষী আংশিক জবানবন্দি দেন।

এর আগে গত ৪ নভেম্বর একই আদালত এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠন করেন। তার আগে গত ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন এ চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন।

২০১৯ সালের বছর ২৮ জুলাই বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডি থানাধীন নর্থ রোডের (ভূতেরগলি) ২৭-২৮/১ নম্বর বাসার বি/৬ নম্বর ফ্ল্যাটে গোপাল বণিক পার্থের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করেন। পরে গত ২৯ জুলাই দণ্ডবিধির ১৬১, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারায় এ মামলা দায়ের করে দুদক।

২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর নগদ ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার এফডিআর, ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেক ও ফেনসিডিলসহ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ট্রেন থেকে গ্রেপ্তার হন চট্টগ্রামের তখনকার জেলার সোহেল রানা বিশ্বাস। সে সময় তিনি গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে নিজের ঘুষবাণিজ্যের পেছনে সহায়ক শক্তি হিসেবে ডিআইজি পার্থ গোপাল বণিকের বলেন। সেই থেকে কারাগারের বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। উঠে আসে কারাগারকে মাদকের হাট বানানোর গল্প। আর সেই গল্পের সূত্র ধরে দুদকের অনুসন্ধানী টিম সেগুনবাগিচার কার্যালয়ে পার্থ গোপালকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে গত ২৮ জুলাই দুপুর ২টার দিকে ফ্ল্যাটে অভিযানে গেলে ফ্ল্যাটে না ঢুকতে দিয়ে বণিকের স্ত্রী চিকিৎসক রতন মনি সাহা প্রায় ২ ঘণ্টা দুদক টিমের সঙ্গে টালবাহানা করেন। প্রথমে দুদক সদস্যদের মোবাইল ফোনে বলেন, ‘পার্থ বাসায় নেই, মিরপুরে আছেন। সেখান থেকে ফিরতে ২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে।’ অথচ সে সময় পার্থ ফ্ল্যাটেই ছিলেন। এর পর দুদক টিম বিকল্পভাবে ভেতরে প্রবেশের কথা জানালে দরজা খুলে দেন মনি সাহা। তবে দরজা খুলার আগেই বাসায় রাখা ওই ৮০ লাখ টাকা দুটি বস্তায় ভরে পাশের বাসার ছাদে ফেলে দেন পার্থর স্ত্রী। পরে তাকে নিয়েই ওই টাকা উদ্ধার করা হয়। ওই দিনই তিনি গ্রেপ্তার হয় এবং এরপর থেকে কারাগারেই আছেন।

advertisement
Evaly
advertisement