advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বিএনপি নির্বাচনী মাঠ ছাড়বে না

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২২ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২১ ২২:২০
advertisement

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকারি দল ও পুলিশের শত উসকানি সত্ত্বেও বিএনপি নির্বাচনী মাঠ থেকে সরবে না। আওয়ামী লীগ একটি অগণতান্ত্রিক দল। তাদের তাঁবেদার নির্বাচন কমিশনের কাছে কখনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা যায় না। তার পরও দেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায়

বিএনপি নির্বাচনের মাঠে নেমেছে। কারণ বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশের নির্বাচনী সংস্কৃতি বিলুপ্ত করে ফেলবে।

গতকাল দুপুরে নগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত তিন দিনে বিএনপির মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের ওপর হামলা, নির্বাচনী ক্যাম্প ও গাড়ি ভাঙচুর, বাসায় পুলিশের তল্লাশি এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার হুমকির ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি।

সম্মেলনে মেয়রপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, নগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর উপস্থিত ছিলেন।

আমির খসরু অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা বিএনপির প্রচারে হামলা-ভাঙচুর চালিয়ে উল্টো বিএনপি নেতাকর্মীর নামে মামলা করেছে। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও কাউন্সিলররা জড়িত না থাকলেও পরিকল্পিতভাবে সাজানো মামলা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে ভীতির সঞ্চার করতে আওয়ামী লীগ এই কর্মকা- করছে। এসব ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। চসিক নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের কথা। কিন্তু অতি উৎসাহী কিছু সদস্য বিএনপি নেতাদের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে। সিটি নির্বাচন বানচাল করতে আওয়ামী লীগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করছে।

নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনে গত বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে অভিযোগ করে আমির খসরু বলেন, প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর করেছে। তারা ক্যাম্প ভাঙার ইস্যু তৈরি করে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা করেছে। যেখানে নেতাকর্মীরা অনুপস্থিত, সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের পরিবারকে হেনস্থা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। সেটি না করে তারা নির্বাচনী কাজকে বাধাগ্রস্ত করছে। তারা এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, যাতে মানুষ নির্বাচনের আগ্রহ হারিয়ে ভোটকেন্দ্রে না যায়। গেলেও তাদের নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় পুরো নির্বাচন চলে, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই নির্বাচনের তো কোনো প্রয়োজন নেই। #

advertisement
Evaly
advertisement