advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ড. আল মামুনের ভ্যাকসিন থামাবে পাঙ্গাশের মড়ক

সিকৃবি প্রতিনিধি
২২ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:০৩
advertisement

বর্তমানে প্রায় সারাদেশে ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদন হচ্ছে পাঙ্গাশ মাছ; কিন্তু এই মাছ চাষের ক্ষেত্রে এর মড়ক অন্যতম অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। তাই পাঙ্গাশ মাছের মড়ক রোধে বায়োফিল্ম নামে একটি নতুন ভ্যাক্সিন উদ্ভাবন করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) মৎস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. মো. আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, তার এই ভ্যাক্সিন প্রয়োগে পাঙ্গাশের মড়ক অনেকটাই কমে আসবে।

পাশাপাশি গতকাল সকাল ১০টায় মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে পিএইচডি গবেষণা ফলের ওপর একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এই সেমিনারে কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ গবেষণার তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ডিএনএ বারকোডিংয়ের মাধ্যমে জেনেটিক পদ্ধতিতে একই প্রজাতির মাছ শনাক্তের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি চাষাবাদ পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন আরেকটি গবেষক দল। মৎস্য জীববিদ্যা ও কৌলিতত্ত্ব বিভাগের ড. শামীমা নাসরীনের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি সম্পন্ন হয়। এ ছাড়া ‘সয়াগ্রোথ বোস্টার’ নামক প্রোটিন পরিপূরকের প্যাটেন্ট পেয়েছেন মাৎস্যচাষ বিভাগের ড. মোহাম্মদ এনামুল কবির, যা মৎস্য, ডেয়রি ও পোলট্রি শিল্পে প্রোটিনের পরিপূরক হিসেবে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামুদ্রিক কুয়াশা (সি-ফগ) নির্ধারণ ও এর স্থানান্তর প্রক্রিয়া নির্ণয়ের মাধ্যমে সামুদ্রিক দুর্ঘটনা রোধ করার আরেকটি কৌশল আবিষ্কার করেছেন জলজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. আহমেদ হারুন-আল-রশীদ। তিনি এই প্রযুক্তির প্যাটেন্ট অর্জন করেছেন বলে সেমিনারে নিশ্চিত করা হয়।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মাৎসবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আবু সাঈদ। সহকারী অধ্যাপক মো. আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন মাৎস্য চাষ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহাব উদ্দিন, অধ্যাপক ড. মোহা. তরিকুল আলম, সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর ব্যাপারী, ড. মো. তাওহীদ হাসানসহ অন্য শিক্ষকরা।

advertisement