advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচন-২০২১
আ. লীগে কোন্দল, কৌশলে বাজিমাত করতে চায় বিএনপি

বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
২৪ জানুয়ারি ২০২১ ২১:৪৯ | আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২১ ২১:৪৯
আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আক্তার হোসেন ফয়সল, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন হারুন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. খালেদ সাইফুল্লাহ
advertisement

বৃহত্তর নোয়াখালী শিল্প ও বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনী পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ জানুয়ারি। নির্বাচনের আগে কোন্দলে আছে আওয়ামী লীগ। দলটির মনোনীত প্রার্থী ও সংসদ সদস্যের বড় ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি লড়াইয়ে নেমেছেন। এ সুযোগে কৌশলে অবলম্বন করে বাজিমাত করতে চায় বিএনপি। দলটির নেতাকর্মীরা কাউন্সিলর প্রার্থীদের সঙ্গে প্রচারে নেমে ভোটের দিন ভিন্নরূপ দেখাতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে জানা গেছে, চৌমুহনী পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে ৪ জন, সাধারণ কাউন্সিলর ৯টি ওয়ার্ডে ৩৬ জন, সংরক্ষিত মহিলা ৩টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রার্থীতায় আছেন। এ পৌরসভায় মোট ভোট কেন্দ্র ২০টি, ভোটার সংখ্যা ৫৪ হাজার ২৫৪ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২৮ হাজার ৫১৩ জন ও নারী ভোটার ২৫ হাজার ৭৪১ জন। ইতোমধ্যে কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ঝুঁকিপূর্ণ থাকার কথা প্রচারমাধ্যমসহ বিভিন্ন খবর প্রকাশ হলে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন নড়ে চড়ে বসে কঠোর অবস্থানে যায়। এতে, ভোটার ও প্রার্থীরা দুশ্চিন্তা থেকে নিস্তার পেলেও শেষ পর্যন্ত এ অবস্থা থাকবে কিনা, অনেকের মাঝে সংখ্যা দেখা দিয়েছে।

বেগমগঞ্জ নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, সুষ্ঠু নির্বাচন করানো তাদের দায়িত্ব। নির্বাচনের পরিবেশ কেউ নষ্ট করতে চাইলে কমিশন আরও কঠোর হবে।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সিকদার জানান, নির্বাচন কমিশনকে সহযোগীতা করতে পুলিশ সবসময় প্রস্তুত আছে। কেউ আইন বিরোধী কর্মকাণ্ড করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আক্তার হোসেন ফয়সল বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনে যে মেয়র নির্বাচিত হবে তিনি চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করবেন বলে আশা করি। কারণ, বিগত দুইবারের মেয়র থাকাকালীন ২৫০ কোটি টাকার কাজ শেষে হয়েছে এবং আরও একশ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান আছে। তাই উন্নয়নের স্বার্থে তাকে নির্বাচিত করার জন্য পৌরবাসীর প্রতি অনুরোধ করছি।’

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন হারুন বলেন, ‘আমাদের শাসনামলে চৌমুহনী পৌরসভায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল। সেই সুবাদে এবং বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই পৌরসভায় ৬০ ভাগ মানুষ ধানের শীষে ভোট দিতে প্রস্তুত আছে। তবে সুষ্ঠ ভোট নিয়ে সংখ্যা রয়েছে।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘চৌমুহনী পৌরসভা এলাকায় গ্লোব পরিবার ঘর-বাড়ি নির্মাণ, দান-অনুদান দিয়ে যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করেছে তাতে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিতে পারলে নিরব বিপ্লব ঘটে যাবে।’

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন প্রার্থী জাকির হোসেন বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পৌরবাসীর কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবেন।’

advertisement
Evaly
advertisement