advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ট্রাম্পকে অভিশংসনের প্রক্রিয়া শুরু

অনলাইন ডেস্ক
২৬ জানুয়ারি ২০২১ ১১:৪০ | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২১ ১৩:৫০
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে
advertisement

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার কংগ্রেসের অভিশংসন ব্যবস্থাপকেরা সিনেটে প্রস্তাবটির দলিল হস্তান্তর করেছেন। আর অভিশংসন প্রস্তাব পাঠ করেছেন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জ্যামই রাসকিন।

নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির ভুয়া দাবি, নির্বাচন ব্যবস্থাকে দুর্নীতিগ্রস্ত করার প্রয়াসসহ ক্যাপিটল হিলে হামলার জন্য সমর্থকদের উসকানি দেওয়ার বিবরণ রয়েছে ট্রাম্পের অভিশংসন প্রস্তাবে।

রিপাবলিকানদের কেউ কেউ বলে আসছিলেন, ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর কোনো প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসন দণ্ড কার্যকর করার সুযোগ মার্কিন সংবিধানে নেই। তবে সিনেটে ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা চাক শুমার বলেছেন, ১৮৭৬ সালে কংগ্রেসে মার্কিন সংবিধানের ব্যাখ্যায় ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পরও দণ্ড কার্যকর বিধান রয়েছে।

সিনেটে অভিশংসন দণ্ড কার্যকর হলে ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে মার্কিন সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসন বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সিএনএনকে জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তে ফ্লোরিডায় গলফ খেলার ফাঁকে এ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার কথা হয়েছে।  তিনি মনে করেন, অভিশংসন বিচারপর্ব থেকে তিনি দ্রুত উতরে যাবেন।

অভিশংসন কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু

মার্কিন সিনেট এখন ৫০-৫০ আসনে বিভক্ত। সিনেটে এখন উভয় দলের সদস্য সংখ্যা সমান। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদাধিকার বলে সিনেটে একটি ভোট দিতে পারেন। ফলে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ভোট মিলিয়ে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিশংসন দণ্ড দিতে হলে সিনেটের দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।

রিপাবলিকান পার্টির ১০ জন আইনপ্রণেতা প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। সিনেটে ১৭ জন রিপাবলিকান সিনেটরের ট্রাম্পের অভিশংসন দণ্ডের পক্ষে ভোট দেওয়ার আলামত এখন পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।

সিনেটে প্রথম দফায় ট্রাম্পের অভিশংসন প্রস্তাবের পক্ষে একমাত্র রিপাবলিকান সিনেটর মিট রমনি ভোট দিয়েছিলেন। এবারও মিট রমনিকে পাওয়া যাবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। মিট রমনি ছাড়া সিনেটর লিসা মারকোস্কি, সুজান কলিন্স ও ব্যান সাসি সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সিনেটে রিপাবলিকান পার্টির নেতা মিচ ম্যাককনেল বলেছেন, ক্যাপিটল হিলের সহিংসতার জন্য ট্রাম্পের দায় রয়েছে। লোকজন তার বক্তব্যে উসকানি পেয়েছে। সিনেটর ম্যাককনেলের এমন বক্তব্যের পর মনে করা হচ্ছে, সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসনের পক্ষে আরও কিছু রিপাবলিকান দাঁড়াতে পারেন।

advertisement
Evaly
advertisement