advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বাংলাদেশ-ভারত ফ্লাইট
‘এয়ার বাবল’ চুক্তির মেয়াদ আরও বাড়ল

গোলাম সাত্তার রনি
২৮ জানুয়ারি ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২১ ২৩:৩৩
advertisement

মহামারী করোনার কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রায় সাত মাসের দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফ্লাইট চালু হয় গেল ২৮ অক্টোবর। ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির অধীনে সেদিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ফ্লাইট উদ্বোধন করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কে দোরাইস্বামী। ভারত সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন মাসের এই ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির মেয়াদ প্রথম দফায় বাড়ানো হয়েছে আরও তিন মাস; অর্থাৎ আগামী এপ্রিল পর্যন্ত। গতকাল বুধবার বেসামরিক বিমান চলাচল পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এক জুম মিটিংয়ে আয়োজিত আন্তঃসভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস এম মার্শাল মফিদুর রহমান আমাদের সময়কে বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের

মধ্যে বিমান চলাচলে ভারতের আবেদনের প্রেক্ষিতে ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ানো হয়েছে। এ চুক্তি অনুযায়ী ২৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে ভারত। পাশাপাশি আমাদের দেশীয় এয়ারলাইন্সও চলাচল করবে।”

বেবিচকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, এয়ার বাবল বলতে বোঝাচ্ছে- এ পদ্ধতিটা কাজ করবে পারস্পরিকভাবে শুধু দুটো দেশের মধ্যে। এখানে তৃতীয় কোনো দেশের ভূমিকা থাকবে না। অর্থাৎ কোনো যাত্রী ঢাকায় বিমানে উঠে সরাসরি যেন একটা ‘বুদবুদের’ মধ্য দিয়ে ভারতের কোনো বিমানবন্দরে গিয়ে নামবেন। মাঝে তিনি অন্য কোথাও অন্য দেশের সংস্পর্শে আসবেন না। শুধু সংশ্লিষ্ট দুটো দেশের এয়ারলাইন্সগুলোই এ পদ্ধতিতে অপারেট করতে পারবে। এয়ার বাবল চালুর ফলে মেডিক্যাল, বিজনেস ও অফিসিয়াল ক্যাটাগরিতে ভারতে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয় বাংলাদেশিদের। তবে ট্যুরিস্ট ভিসা আপাতত বন্ধ রয়েছে।

বেবিচক সূত্র জানায়, ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ ও ভারত ২৮টি করে ৫৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এতে সপ্তাহে উভয় দেশে যাতায়াত করছে পাঁচ হাজার যাত্রী। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বেশ কিছু বিধিনিষেধ মেনে ভারতের স্পাইস জেট, ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, গোএয়ার, ভিস্তারা- এই ছয় এয়ারলাইন্স দিল্লি-কলকাতা-চেন্নাই-মুম্বাই-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। অন্যদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-দিল্লি, দিল্লি-ঢাকা, ঢাকা-কলকাতা ও কলকাতা-ঢাকা রুটে; ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা-কলকাতা, কলকাতা-ঢাকা, ঢাকা-চেন্নাই, চেন্নাই-ঢাকা রুটে এবং নভোএয়ার ঢাকা-কলকাতা ও কলকাতা-ঢাকা রুটে বিমান পরিচালনা করছে।

advertisement