advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ভারতে এবার গো বিজ্ঞান নিয়ে পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৩:২৪ | আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৩:৩১
সংগৃহীত ছবি
advertisement

শিশুদের পাঠ্যক্রমে গরু এত দিন রচনা হয়ে ছিল। কিন্তু প্রাণীটিকে সামনে টেনে আনতে চেষ্টার ত্রুটি নেই ভারত সরকারের। গো বিজ্ঞান নামক এক পরীক্ষার আয়োজন করছে দেশটির সরকার। ইতিমধ্যেই তাতে নাম লিখিয়ে ফেলেছেন ৫ লাখ মানুষ। দেশের ৯০০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে সেই মর্মে নির্দেশও পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

অনলাইনে গরু বিষয়ক এই সরকারি পরীক্ষায় বসার জন্য পড়ুয়াদের উৎসাহিত করতে বলা হয়েছে। কিন্তু এই ধরনের কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক স্যমন্তক দাস বলেন, ‘শুধু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কেই এই মর্মে চিঠি পাঠিয়েছে ইউজিসি। কিন্তু যাদবপুরে এই পরীক্ষা হচ্ছে না।’

বাংলা বিভাগীয় প্রধান রাজ্যেশ্বর সিংহ বলেন, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞানমনষ্ক, ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষাব্যবস্থা প্রচার করে, রাষ্ট্রের দায়িত্বও সেটাই হওয়া উচিত। সেখানে এই ধরনের একটা বিষয়কে চাপিয়ে দেওয়ার কোনও জায়গা নেই। বিশেষ করে এই সময়ে যখন করোনা পরিস্থিতি চলছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করা অনেক বেশি জরুরি ছিল বলে মনে হয়। তার বদলে এমন একটা বিষয়ের পরীক্ষার নাম করে আসলে একটা দর্শন চাপানোর চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু আপাতত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তেমন কিছু হচ্ছে না। সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।’

ভারতে গত প্রায় দুই দশক ধরে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বাজেট বরাদ্দ প্রায় বাড়েনি বললেই চলে। তা আটকে আছে ০.৬ থেকে ০.৭ শতাংশের মধ্যে। ভারত যে সমস্ত দেশের সঙ্গে প্রযুক্তিতে পাল্লা দিতে চায়, সেই যুক্তরাষ্ট্র (২.৮%), চীন (২.১%), ইসরায়েল (৪.৩%), কোরিয়ায় (৪.২%) তা অনেক বেশি। ভারতে তা জিডিপির অন্তত ২% হওয়া উচিত বলে সুপারিশ করেছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদও। গবেষণায় বরাদ্দের যে হাল, তাতে গো বিজ্ঞান নিযে এই মাতামতিকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না দেশটির বিশেষজ্ঞরা।

advertisement
Evaly
advertisement