advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

আল জাজিরার ডিরেক্টর জেনারেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ফেরত

আদালত প্রতিবেদক
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:২৯ | আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:২৯
advertisement

‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেন’ নামে প্রকাশিত বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ উল্লেখ করে বিদেশে আল জাজিরা টেলিভিশনের ডিরেক্টর জেনারেল মোস্তফা স্যোউয়াগসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন ফেরত দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমাম মামলায় রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ থাকলেও রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ছাড়া মামলার আবেদন করায় ফেরত দিয়েছেন।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক ওরফে মশিউর মালেক মামলার এ আবেদন করেন। ওইদিন বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য রাখেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার তা পিছিয়ে একই ২৩ ফেব্রুয়ারি আদেশের দিন ধার্য করেন।

অপর আসামিরা হলেন-প্রতিবেদনের প্রধান চরিত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল বাসেত খানের ছেলে শায়ের জুলকার নাইন ওরফে সামি, ইন্ডিপেডেন্ট ওয়াল্ড রিপোর্ট ও নেত্র নিউজের প্রধান সম্পাদক তাসনিম খলিল এবং ব্যারিস্টার সারা হোসেনের স্বামী যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছিল, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুনামহানি করে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে অপপ্রচার চালিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধে লিপ্ত আছে। তারা যৌথভাবে তাদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নিয়ে ভুয়া মিথ্যা তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরি করে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেন’ নামে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী একটি প্রতিবেদন প্রচার করে এবং উক্ত প্রতিবেদন ইউটিউবেও ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। যা পরদিন বিভিন্ন মুদ্রিত ও অনলাইন পত্রিকায় ব্যাপকভাবে  প্রচারিত হয়।

আসামিরা উক্ত প্রতিবেদনে কোনো সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য না দিয়ে এবং তথ্য-উপাত্ত বা দলিলাদি উপস্থাপন না করেই ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শুধুমাত্র কিছু ব্যক্তিগত পারিবারিক অনুষ্ঠানাদি ও সাক্ষাৎকারের ছবি ব্যবহার করে, কণ্ঠস্বর সম্পাদনা করে একটি কাল্পনিক ভুয়া, মিথ্যা ও সাজানো তথ্যচিত্রের প্রতিবেদন তৈরি করে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে আল জাজিরা টেলিভিশনসহ ইউটিউবের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বে অপপ্রচার করেছে। যা দেশে বিদেশে বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রের সুনাম ও মর্যাদার হানি ঘটিয়েছে। যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ।

উল্লেখ্য, ‘রাষ্ট্রবিরোধী পোস্ট, মহামারি করোনা, সরকারদলীয় বিভিন্ন নেতার কার্টুন দিয়ে গুজব ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় শায়ের জুলকার নাইন ওরফে সামি আসামি ছিলেন। ওই মামলায় তার নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি মর্মে তাকে অব্যাতি দিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। তবে আল- জাজিরার প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর মামলাটি আবার পুনঃ তদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন।

মামলাটিতে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, লেখক মুস্তাক আহমেদ ও রাষ্ট্রচিন্তার কর্মী দিদারুল ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দিয়েছিল পুলিশ।

 

advertisement
Evaly
advertisement