advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পাহাড়ে গোলাগুলি, ডাকাতসহ ৩ রোহিঙ্গা নিহত

টেকনাফ প্রতিনিধি
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:০৭ | আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২৩:০৩
প্রতীকী ছবি
advertisement

টেকনাফের ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশের পাহাড়ে র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে টেকনাফের শালবন এলাকার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ জকির বাহিনীর প্রধান ডাকাত জকিরসহ তিনজন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৬টার দিকে শালবন পাহাড়ে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ডাকাতরা হলেন-জকির বাহিনীর প্রধান ডাকাত জকির, হামিদ ও জহির ।

র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফের শালবন এবং জাদিমুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কুখ্যাত ডাকাত জকির দলের  গ্রুপের সঙ্গে র‌্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দলের আনুমানিক ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি চলে। গহীন পাহাড়ের ভেতর জকির বাহিনীর জকির এবং অন্যান্য দুজনের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। এসময় রবের এক সদস্য হাতে গুলিবিদ্ধ হন।

আজিম আহমেদ জানান, জকির ডাকাতের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ এবং মাদকসহ ২০ এর বেশি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত দুটি পিস্তল, দুটি বন্দুক এবং পাঁচটি ওয়ান শুটারসহ ২৫ রাউন্ড বন্দুক ও পিস্তলের গুলি উদ্ধার হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থল র‌্যাব আভিযনিক দল ঘিরে রেখেছে এবং এখনো অভিযান চলছে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘র‌্যাব সদস্যরা মাদক ও ডাকাত দলের পাশাপাশি যেকোনো অপরাধে কাজ করে যাচ্ছে এবং আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এখনো রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে অবস্থানরত কুখ্যাত ডাকাত আব্দুল হাকিমের নির্দেশনায় ডাকাত জকির, ছৈয়দ হোছন ওরফে পুতিয়া, খাইরুল আমিন, সালমান শাহ, মো. শফি, আনোয়ার, নুর হোছন, মো. ইসলাম ধইল্যা, নুরুল ইসলাম ওরফে নুর সালামের নেতৃত্বে স্বশস্ত্র বেশ কয়েকটি ডাকাত গ্রুপ অবস্থান করছে। এরা পাহাড় থেকে নেমে ক্যাম্পে এসে মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র বেচা-বিক্রি, ভাড়াটে খুনি, অপহরণ ও মুক্তিপণ বাণিজ্যের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্রের মহড়া চালাচ্ছে। বলতে গেলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ করছে এই ডাকাত চক্র ও তার সহযোগীরা।

advertisement
Evaly
advertisement