advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জাল টাকার মামলায় সাহেদ-মাসুদের বিচার শুরু

আদালত প্রতিবেদক
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৮:৪৯ | আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৮:৪৯
রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ সাহেদ (বাঁয়ে) এবং প্রতিষ্ঠানটির এমডি মাসুদ পারভেজ। পুরোনো ছবি
advertisement

এক লাখ ৪৭ হাজার জাল টাকা উদ্ধারের মামলার রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ সাহেদ এবং প্রতিষ্ঠানটির এমডি মাসুদ পারভেজের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম অসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে এ চার্জ গঠনের আদেশ দেন। একইসঙ্গে আসামিরা অভিযোগ অস্বীকার করায় আগামি ১৫ মার্চ মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেন।

শুনানিকালে কারাগারে থাকা এ আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানির পর তাদের আবার কারাগারে পাঠানো হয়। ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মাদ সালাহউদ্দিন হাওলাদার নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, করোনা টেস্ট না করে ভুয়া রিপোর্ট ও ভুয়া নেগেটিভ ও পজেটিভ সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাহেদকে অস্ত্রসহ সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে গত বছর ১৫ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর সাহেদকে ঢাকায় এনে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় তাকে নিয়ে অভিযান চালানো হয় । এ সময় সাহেদের সহযোগী মাসুদকে সঙ্গে রাখা হয়। সেখানে রিজেন্ট গ্রুপের এক কার্যালয় থেকে ৫০০ টাকার এক লাখ ৪৬ হাজার ২৯৬টি জালনোট উদ্ধার করে র‌্যাব। এরপর তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিশেষ ক্ষমতা আইন, দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় ১০টি মামলা হয়।

মামলাগুলোর মধ্যে অস্ত্র মামলায় গত বছর ২৮ সেপ্টেম্বর সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। জাল টাকার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলাটি গত ১৬ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানায় র‌্যাব-১ কর্মকর্তা মজিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাহেদ, মাসুদ পারভেজ এবং আরও অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়। মামলাটি তদন্তের পর গত বছর ১ নভেম্বর র‌্যাব-১ এর এসআই জাকির হোসেন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

প্রসঙ্গত, গত বছর ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিলেন তারা। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পাওয়ার প্রমাণ পায়। একদিন পর গত বছর ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়।

advertisement