advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান পরীক্ষা স্থগিত, কাল শিক্ষার্থীদের সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২২:৪৬ | আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২২:৪৬
পুরোনো ছবি
advertisement

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বিভিন্ন বিভাগের চলমান পরীক্ষা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার রাত সাড়ে আটটায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্তটি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই মন্তব্য করছেন। কাল বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে তারা সমাবেশ করবেন।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি গত সোমবার এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ক্লাস শুরু হবে আগামী ২৪ মে। তার আগে ১৭ মে আবাসিক হলগুলো খুলবে। হলে ওঠার আগে আবাসিক শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকা নিতে হবে। আর হল খোলার আগে কোনো পরীক্ষা হবে না।’ এ বক্তব্যের দুই দিন পর আজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান বলেন, ‘পরীক্ষা নেওয়া যাচ্ছে না। কাল বৃহস্পতিবার নোটিশ দিয়ে বিভাগগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

কেন স্থগিত করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে রেজিস্ট্রার বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্ষদের সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত সব বিভাগের মানতে হবে।’

পরীক্ষা স্থগিতের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী দেওয়ান তাহমিদ বলেন, ‘মহামারির কারণে দীর্ঘ সেশনজটে পড়ে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী হতাশ হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় চলমান পরীক্ষা স্থগিত হলে সে হতাশা আরও বাড়বে। পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি অমানবিক। তাই পরীক্ষা চলমান রেখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যেন তার স্বায়ত্তশাসনের পরিচয় দেয়, আমরা সেই দাবি জানাই।’

দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বী বলেন, ‘চলমান পরীক্ষা স্থগিত না করার দাবিতে কাল দুপুরে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন একদল শিক্ষার্থী।’

পাশাপাশি তারা তিন দফা দাবিতে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের কাছে স্মারকলিপিও দেবেন। তিনি বলেন, ‘কাল বেলা সাড়ে ১১টায় আমরা শহীদ মিনার চত্বরে জড় হব। এরপর সমাবেশ করে স্মারকলিপি দেব। চলমান পরীক্ষাগুলো কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না। পরীক্ষাগুলো নিয়ে নিতে হবে।’

advertisement