advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ, কারাগারে ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক,বগুড়া
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৬:৫৭ | আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৭:১০
প্রতীকী ছবি
advertisement

বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারণার শেষ দিনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ছুরিকাঘাতে তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে আজ শনিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার ছিল বগুড়া পৌরসভার নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন। পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক পরিমল কুমার দাস (বর্তমান কাউন্সিলর)। তার প্রতীক উটপাখি। অন্যদিকে এই ওয়ার্ডে পাঞ্জাবি প্রতীকে লড়ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনন্দ কুমার দাস।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উটপাখির সমর্থনে গতকাল শুক্রবার বিকেলে একটি বড় মিছিল বের হয়। পরে খণ্ড খণ্ড মিছিল ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে উটপাখির সমর্থকেরা উত্তর চেলোপাড়া বটতলা এলাকায় পৌঁছালে পাঞ্জাবি প্রতীকের সমর্থনে একটি মিছিলের মুখোমুখি হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এতে ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলী শান্ত (২২) মিলন কুমার রায় (৪৩) ও নিপুলকে (২৪) ছুরিকাঘাত করা হয় বলে জানা  গেছে। এ ছাড়া আরও পাঁচ থেকে সাত জনকে লাঠিপেটা করার অভিযোগ উঠেছে। আহতরা বর্তমানে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) এ চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এদিকে মিছিলে হামলার ঘটনায় আনন্দ কুমার দাস বাদী হয়ে ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে গতকাল রাতেই বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর গতকাল রাত থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন-শহরের নাটাইপাড়ার তন্ময় কুমার দত্ত, উত্তর চেলোপাড়ার টুলু ব্যাপারী, দক্ষিণ চেলোপাড়ার মো. বাতেন ও মধ্য চেলোপাড়ার বিষ্ণু। তারা সবাই ওই ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী পরিমল চন্দ্র দাসের সমর্থক-কর্মী। 

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় আহত যারা ভর্তি রয়েছেন তারা সবাই শঙ্কামুক্ত।’

ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বগুড়া সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘ঘটনার পর পরই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

advertisement